Dhaka 4:59 pm, Sunday, 4 October 2026
সর্বশেষ
এলপিজির দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তার রদবদল সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে : প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্বারোপ আইনপ্রণেতা ও বিশেষজ্ঞদের ভারতের সঙ্গে চুক্তি হলেই মোগলহাট স্থলবন্দর চালু হবে : ত্রাণমন্ত্রী আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে তানজানিয়া গেলেন স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে রাজনৈতিকীকরণ না করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের গণতন্ত্রকে নিজস্ব গতিতে কার্যকরভাবে চলতে দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচার চলছে : মাহদী আমিন

স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 07:32:13 am, Sunday, 4 October 2026
  • / 6 Time View

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে।

উপস্থিতিসংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে। 

এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।

আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।

অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা

Update Time : 07:32:13 am, Sunday, 4 October 2026

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে এসব কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে।

উপস্থিতিসংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে। 

এ ছাড়া জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুগ্ম সচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।

আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।

অফিস আদেশে বলা হয়, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।