বটগাছের নিচে পরিত্যক্ত বস্তায় মিলল ১৫ রাউন্ড গুলি, দেশীয় অস্ত্র
- Update Time : 01:58:14 pm, Monday, 28 September 2026
- / 2 Time View
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় বটগাছের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ।
পুলিশ জানায়, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হাদল ইউনিয়নের কুচলিয়া গ্রামের একটি বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা বস্তা থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।
ওসি মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ বলেন, হাদল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও বিল অধ্যুষিত এলাকায় সর্বহারা-নকশালপন্থী একটি সশস্ত্র চরমপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা নিয়ে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, গোলাগুলি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
তিনি জানান, গত ২৯ আগস্ট ফরিদপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই হাদল ইউনিয়নের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে।
প্রত্যন্ত ও বিল অধ্যুষিত হওয়ায় ওই এলাকায় কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপের তৎপরতা রয়েছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। এসব গ্রুপ সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে খাল-বিল ও জলাশয় দখল, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
ওসি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একটি সশস্ত্র গ্রুপ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করছে বলে জানতে পারে পুলিশ। পরে রোববার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় কুচলিয়া এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বস্তা থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় একটি নৌকাবাইচও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি চাপাতি, একটি বাট, একটি ছুরি এবং বিভিন্ন আকারের তিনটি ধারালো দা।
পুলিশের দাবি, হাদল এলাকায় এর আগেও কয়েক দফা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ওই এলাকায় হত্যা ও গুমের ঘটনাও ঘটেছে।
এসব ঘটনায় ফরিদপুর থানায় অস্ত্র ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এসআই আরিফুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।








