জামায়াতের ১০০ কোটি টাকা পরিশোধে ভিক্ষা করতে হচ্ছে এনসিপিকে
- Update Time : 02:14:22 pm, Monday, 28 September 2026
- / 3 Time View
নির্বাচনী জোটের শরিক জামায়াতের কাছ থেকে নির্বাচনের সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১০০ কোটি টাকা ভিক্ষা নিয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, সেই টাকা পরিশোধে এনসিপি এখন ভিক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে।
আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, জামায়াতের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা ভিক্ষা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে এনসিপি। হয়তো সেই ভিক্ষার টাকা পরিশোধ করার জন্য এনসিপিকে এখন গণভিক্ষা কর্মসূচি চালু করতে হচ্ছে ও জামায়াতের পক্ষে খ্যাপ মারতে হচ্ছে।
সামনে স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত নাকি এনসিপিকে আর ভিক্ষা দেবে না বলে শোনা যাচ্ছে দাবি করে রাশেদ খান বলেন, এ ছাড়া অতীতে বন্যার টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগের কারণে দীর্ঘদিন গণভিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও স্থানীয় নির্বাচনের ফান্ড উত্তোলনে আবারও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গণভিক্ষা কার্যক্রমে জোর দিবে এনসিপি।
এনসিপি এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করলে তাদের গণভিক্ষা তহবিলে এক লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাশেদ খান।
রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছিলেন রুমিন ফারহানা আপা। জানি না, রুমিন ফারহানা আপার ভাষায় সেসব ফকিন্নির বাচ্চারা ১৮ মাসে লাগামহীন দুর্নীতি করে এখন জমিদারের বাচ্চা বনে গেছে কি না। নতুবা আলিশান কার্যালয় ও ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়া এবং জমিদারি ভাবসাব নিয়ে চলাচল করার অর্থ পায় কোত্থেকে? প্রশ্ন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, একটি গণ-অভ্যুত্থান এদের (এনসিপি) এক ডজন নেতার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছে। এরা মনে করছে, এদের ১৮ মাসের অবাধ লুটপাটের ইতিহাস মানুষ এত সহজে ভুলে গেছে।
বিএনপির লোকজন ১৭ বছর ক্ষুধার্ত থেকেও আন্দোলন করেছে বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তার দাবি, সেসময় হাসনাত আব্দুল্লাহরা ছাত্রলীগ নেতাদের ‘লুঙ্গির তলে’ ছিলেন।
বিএনপির ওপর মানুষ আস্থা পায়নি বলে ১৭ বছর আন্দোলনে নামেনি, কিন্তু নাহিদ ইসলামদের ওপর আস্থা রাখলে জনগণ কেন তাদেরকে ক্ষমতায় বসাল না? প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান।
বলেন, মানুষ কি ভুলে গেছে জামায়াত-এনসিপির প্রধান বিরোধী দল হওয়ার জন্য কামড়াকামড়ির ইতিহাস?
বিএনপি এনসিপিকে জাতীয় পার্টির মতো বিরোধী দল বানাতে রাজি না হওয়ায় এনসিপি জামায়াত জোটে গেছে বলেও দাবি করেন রাশেদ খান। ফেসবুক পোস্টে বলেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে জামায়াত উপকৃত হয়েছে এবং গণতন্ত্র গৃহপালিত বিরোধী দলের তকমা থেকে রেহাই পেয়েছে। জানি, এ জন্য বিএনপির ওপর এনসিপির প্রচুর ক্ষোভ আছে! তবে এ কথা বলতেই হয়, নতুন বন্দোবস্তের ঠিকাদার এই এনসিপি ক্ষমতার জন্য ছোট্ট বয়সে একটা ধান্দাবাজ দলে পরিণত হয়েছে! অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আরো কয়েকবছর ক্ষমতায় থাকলে, এনসিপির নেতারা দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে আওয়ামী লীগকেও পেছনে ফেলত।








