Dhaka 11:24 pm, Sunday, 30 August 2026
সর্বশেষ
‘মিনি সিঙ্গাপুর’খ্যাত বসুন্ধরায় ছিনতাই, নিরাপত্তাকর্মীদের তৎপরতায় আটক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৬ উপসাগরীয় শাসকদের সতর্ক করলেন মোজতবা খামেনি ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী নতুন ঝুঁকিতে নেপাল টাঙ্গাইলে ছেলের হাতে বাবা খুন সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পক্ষের সমঝোতা, তাসনুভা তিশাকে ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা, সরকার এটি তৈরি করেনি : নুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ শুরুর বিষয়ে একমত বাংলাদেশ-চীন

৪৯৮টি স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 11:45:05 am, Sunday, 30 August 2026
  • / 4 Time View

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এবং দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে সুপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে সারা দেশের সম্ভাব্য প্রায় ১৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

রবিবার (৩০ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সরকারের এসব পরিকল্পনার কথা জানান। 

মন্ত্রী জানান, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করা এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সার্বিক বিকাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে সমন্বিত করার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। এ ছাড়া বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ (beautifulbangladesh.gov.bd) শিরোনামে একটি নতুন অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৪৯৮টি স্পট নিয়ে চূড়ান্ত হচ্ছে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা

Update Time : 11:45:05 am, Sunday, 30 August 2026

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এবং দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে সুপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে সারা দেশের সম্ভাব্য প্রায় ১৪৯৮টি পর্যটন স্থান চিহ্নিত করে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

রবিবার (৩০ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সরকারের এসব পরিকল্পনার কথা জানান। 

মন্ত্রী জানান, দেশে পর্যটন খাতের সঠিক তথ্যের ঘাটতি দূর করা এবং সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সার্বিক বিকাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, স্থানীয় জনসাধারণকে সরাসরি যুক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলে পর্যটন স্পটগুলোর পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষায়িত ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও কাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে সমন্বিত করার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, সাংস্কৃতিক পর্যটনের সার্বিক প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে শীঘ্রই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

স্মারক স্বাক্ষরের পর দ্রুত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপি প্রণয়ন করা হবে এবং পুরো কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। এ ছাড়া বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ (beautifulbangladesh.gov.bd) শিরোনামে একটি নতুন অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।