Dhaka 2:52 am, Saturday, 25 July 2026

নিবন্ধন ফি কমানো ও এফএআর বাড়ানোর দাবি রিহ্যাবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 11:19:18 am, Thursday, 23 July 2026
  • / 13 Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে দেশের আবাসন শিল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) বাস্তবায়নে সৃষ্ট বাস্তব সমস্যা এবং আবাসন খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদল এ সময় জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর অনুরোধ জানায়। একই সঙ্গে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

রাজধানীতে জমির স্বল্পতা ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি উল্লম্ব নগরায়ণকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এ খাতের সুষ্ঠু বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, আবাসন খাতের উন্নয়নে সরকার একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে আবাসন উন্নয়ন যাতে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবাসন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের নগরায়ণ শুধু রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হলে হবে না। দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সময় কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নিবন্ধন ফি কমানো ও এফএআর বাড়ানোর দাবি রিহ্যাবের

Update Time : 11:19:18 am, Thursday, 23 July 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে দেশের আবাসন শিল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) বাস্তবায়নে সৃষ্ট বাস্তব সমস্যা এবং আবাসন খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদল এ সময় জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর অনুরোধ জানায়। একই সঙ্গে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

রাজধানীতে জমির স্বল্পতা ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি উল্লম্ব নগরায়ণকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এ খাতের সুষ্ঠু বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, আবাসন খাতের উন্নয়নে সরকার একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে আবাসন উন্নয়ন যাতে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবাসন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের নগরায়ণ শুধু রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হলে হবে না। দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সময় কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।