Dhaka 10:46 am, Friday, 23 October 2026
সর্বশেষ
ফ্লাডলাইটের আলোয় ক্রিকেট-ফুটবল, আসছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ অবৈধ বিদেশিদের ধরতে ইমিগ্রেশনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব মালয়েশিয়ার সংসদে। ওসির নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা উপেক্ষা করে পূজামণ্ডপে নাগরদোলা।নাগরদোলায় ওঠাকে কেন্দ্র করে নারীকে মারধরের অভিযোগ; গ্রেপ্তার ১ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ, প্রজননস্থল ধ্বংসে জোর বিশেষজ্ঞদের স্পেনের রাজপরিবারের সম্মাননা পাচ্ছেন মেসি জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের প্রমাণ আছে ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৪ উদ্যোগ সরকারের নলিয়ানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ সব দপ্তর-সংস্থায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিঠি

যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের অপেক্ষা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 05:09:57 am, Friday, 2 October 2026
  • / 23 Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে প্রার্থীরা যোগদান করছেন।

যোগদান করলেও পদায়নের শিক্ষকদের অপেক্ষা বেড়েছে। যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বাড়ানো হয়েছে। আজ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, নবনিযুক্ত শিক্ষকগণের পদায়ন আদেশের তারিখ বৃদ্ধি করে ৪ অক্টোবরের তারিখের পরিবর্তে ১১ অক্টোবর নির্ধারণের নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

সে মতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে ১ অক্টোবর যোগদানকৃত শিক্ষকগণের ৪ অক্টোবরথেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করার জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। 

আদেশের কপি ৩ পার্বত্য জেলা ব্যতীত সব জেলা সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

তথ্য মতে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

আবার অনেকেই গতকাল পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ফলে চূড়ান্ত আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের। এই শিক্ষকদের মধ্যে এখনো প্রায় শতাধিকের বেশি প্রার্থীকে দেওয়া হয়নি চূড়ান্ত নিয়োগপত্র। 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের অপেক্ষা বাড়ল

Update Time : 05:09:57 am, Friday, 2 October 2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে প্রার্থীরা যোগদান করছেন।

যোগদান করলেও পদায়নের শিক্ষকদের অপেক্ষা বেড়েছে। যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বাড়ানো হয়েছে। আজ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, নবনিযুক্ত শিক্ষকগণের পদায়ন আদেশের তারিখ বৃদ্ধি করে ৪ অক্টোবরের তারিখের পরিবর্তে ১১ অক্টোবর নির্ধারণের নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

সে মতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে ১ অক্টোবর যোগদানকৃত শিক্ষকগণের ৪ অক্টোবরথেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করার জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। 

আদেশের কপি ৩ পার্বত্য জেলা ব্যতীত সব জেলা সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

তথ্য মতে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

আবার অনেকেই গতকাল পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ফলে চূড়ান্ত আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের। এই শিক্ষকদের মধ্যে এখনো প্রায় শতাধিকের বেশি প্রার্থীকে দেওয়া হয়নি চূড়ান্ত নিয়োগপত্র।