Dhaka 9:29 pm, Friday, 16 October 2026
সর্বশেষ
মেরিটাইম প্রদর্শনী ও সুপার সেল কার বাজারে জমজমাট আইসিসিবি শারদীয় আমেজে মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া ফ্রান্সে বিক্ষোভ অব্যাহত, প্যারিসে গ্রেপ্তার ১,২৬০ সিআইসিএ সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের ওয়াকআউট পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপূজার আগে ৩৪ স্থানে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ বিদেশি কম্পানিকে কনটেইনার টার্মিনাল লিজের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ১৮ তারিখ পর্যন্ত দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত পরিবারসহ সাবেক এসবি প্রধান মনিরুলের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ সরকারি আবাসন বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও গতি আনতে চালু হলো অনলাইন সেবা

যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের অপেক্ষা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 05:09:57 am, Friday, 2 October 2026
  • / 22 Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে প্রার্থীরা যোগদান করছেন।

যোগদান করলেও পদায়নের শিক্ষকদের অপেক্ষা বেড়েছে। যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বাড়ানো হয়েছে। আজ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, নবনিযুক্ত শিক্ষকগণের পদায়ন আদেশের তারিখ বৃদ্ধি করে ৪ অক্টোবরের তারিখের পরিবর্তে ১১ অক্টোবর নির্ধারণের নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

সে মতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে ১ অক্টোবর যোগদানকৃত শিক্ষকগণের ৪ অক্টোবরথেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করার জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। 

আদেশের কপি ৩ পার্বত্য জেলা ব্যতীত সব জেলা সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

তথ্য মতে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

আবার অনেকেই গতকাল পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ফলে চূড়ান্ত আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের। এই শিক্ষকদের মধ্যে এখনো প্রায় শতাধিকের বেশি প্রার্থীকে দেওয়া হয়নি চূড়ান্ত নিয়োগপত্র। 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের অপেক্ষা বাড়ল

Update Time : 05:09:57 am, Friday, 2 October 2026

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শুরু হয়েছে। নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে প্রার্থীরা যোগদান করছেন।

যোগদান করলেও পদায়নের শিক্ষকদের অপেক্ষা বেড়েছে। যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বাড়ানো হয়েছে। আজ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, নবনিযুক্ত শিক্ষকগণের পদায়ন আদেশের তারিখ বৃদ্ধি করে ৪ অক্টোবরের তারিখের পরিবর্তে ১১ অক্টোবর নির্ধারণের নির্দেশনা পাওয়া গেছে।

সে মতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে ১ অক্টোবর যোগদানকৃত শিক্ষকগণের ৪ অক্টোবরথেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করার জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। 

আদেশের কপি ৩ পার্বত্য জেলা ব্যতীত সব জেলা সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

তথ্য মতে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের কথা বলা হয়। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

আবার অনেকেই গতকাল পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ফলে চূড়ান্ত আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের। এই শিক্ষকদের মধ্যে এখনো প্রায় শতাধিকের বেশি প্রার্থীকে দেওয়া হয়নি চূড়ান্ত নিয়োগপত্র।