বিমান টিকিট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিমানমন্ত্রী
- Update Time : 11:38:42 am, Sunday, 30 August 2026
- / 6 Time View
প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিমানভাড়া সহনীয় রাখতে টিকিটের দুর্বৃত্তায়ন, কৃত্রিম সংকট ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ট্রাভেল এজেন্সি আইন ও বেসামরিক বিমান চলাচল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বিমান টিকিটে ট্রাভেল এজেন্সির নাম, লাইসেন্স নম্বর ও বিক্রয়মূল্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে রবিবার (৩০ আগস্ট) প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী জানান, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা ও টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ১০ দফাসম্বলিত একটি পরিপত্র জারি করেছে।
এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ট্রাভেল এজেন্সিকে বিমান টিকিটে তাদের নাম, লাইসেন্স নম্বর এবং টিকিটের বিক্রয়মূল্য স্পষ্টাক্ষরে লিখতে হবে।
বিমানভাড়া নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী এভিয়েশন খাতে সাধারণত ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতিতে ভাড়া নির্ধারিত হয়। এ ক্ষেত্রে এয়ারলাইনসের আয় ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা কাজ করে। রুট, গন্তব্য, দূরত্ব, বুকিংয়ের সময়, যাত্রার তারিখ, আসন প্রাপ্যতা, এয়ারলাইনসের ধরন, আন্তর্জাতিক বাজারে এভিয়েশন জ্বালানির দাম, বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট চার্জ, সরকারি কর ও অন্যান্য ফি বিবেচনায় নিয়ে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
ফলে একই রুটে সময়, চাহিদা ও আসন প্রাপ্যতার পার্থক্যের কারণে বিমানভাড়ায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হতে পারে বলে জানান মন্ত্রী। তাঁর মতে, তাই শুধু একটি বা একাধিক সূচক বিবেচনা করে বিভিন্ন সময়ের বিমানভাড়ার তুলনা করা যৌক্তিক নয়।
প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথাও সংসদে তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকিটে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বলাকা লাউঞ্জে বিশেষ সুবিধা, আলাদা ইমিগ্রেশন চ্যানেল এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক চেক-ইনের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, যাত্রীস্বার্থ রক্ষা এবং বিমান টিকিটের বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ জন্য আইন সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।









