Dhaka 6:37 pm, Monday, 7 September 2026
সর্বশেষ
নতুন দায়িত্বে মাহমুদা হাবিবা হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আর আপিলের সুযোগ নেই : চিফ প্রসিকিউটর ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে আমিরাত, সমাধানের চেষ্টা চলছে বিতর্ক পেরিয়ে নতুন সিনেমায় ফিরছেন মৌসুমী প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক পাঁচ দিনের রিমান্ডে আমিনবাজারে এসআই হত্যার নেপথ্যে কারা জানাল র‌্যাব রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী ১০০ শিক্ষক পাচ্ছেন ১ লাখ টাকা করে অনুদান চলচ্চিত্র-সংস্কৃতির বাধা দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন আলোচনার দরকার নেই

চলচ্চিত্র-সংস্কৃতির বাধা দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 10:25:33 am, Monday, 7 September 2026
  • / 3 Time View

চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির বিকাশে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার, শিল্পী, নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা বলেছেন, সংস্কৃতিচর্চার পথে বাধা নতুন নয়।

অতীতেও ছিল, এখনো আছে। তবে সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে এসব বাধা দূর করা সম্ভব। 

আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিআরএ) আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির প্রতিবন্ধকতা রোধে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিসিআরএর সভাপতি মনিরুল ইসলাম।

বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিত্রনায়ক ও জাসাস আহ্বায়ক হেলাল খান বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কৃতিবান্ধব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যেও সাংস্কৃতিক চেতনা রয়েছে। সংস্কৃতি আমাদের রক্তে মিশে আছে। চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির বিকাশে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে।

নতুন সিনেমা হল নির্মাণসহ শিল্পচর্চার উপযোগী পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। 

সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন উল্লেখ করে হেলাল খান বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্যও উপযোগী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে মনিরুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গন নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। কনসার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া, বাউলশিল্পীদের ওপর হামলা, নৌকাবাইচ বন্ধ হওয়াসহ বিভিন্ন ঘটনা সংস্কৃতির স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সম্মিলিত আলোচনা ও কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।

সংস্কৃতির বিকাশের জন্য নিরাপদ ও মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। 

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু বলেন, চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনে সুশাসন ও দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করা গেলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। এতে চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন বিনিয়োগের পথ তৈরি হবে এবং শিল্পটি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে।

প্রবীণ চলচ্চিত্র নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের দাবি জানান। তিনি বলেন, অনুদান প্রযোজকদের হাতে দেওয়া হলে তারা মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণে আরো উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাতাদের বিভিন্ন ধরনের গল্প, বিষয় ও ভাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সৃজনশীলতার বিকাশে অপ্রয়োজনীয় বাধা চলচ্চিত্র শিল্পকে পিছিয়ে দেয়।

সেন্সর নীতিমালার সংস্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে দর্শকের রুচি ও চলচ্চিত্রের ভাষা বদলেছে। তাই চলচ্চিত্রের স্বাধীন সৃজনশীলতা ও নির্মাতাদের কাজের সুযোগ বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যমান নীতিমালা সংস্কার করা প্রয়োজন। শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যাতে কোনো ধরনের ভয় বা চাপ ছাড়াই অনুষ্ঠান করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক ও স্থপতি মশিহ উদ্দিন শাকের, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সুমন, অডিও-ভিজ্যুয়াল টেকনিক্যাল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাদেক সিদ্দিকী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেতা বাছির জামাল, টেলিভিশন ডিরেক্টস গিল্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীন মোহাম্মদ মন্টু, চিত্রনায়িকা নতূন, অধ্যাপিকা রোকেয়া চৌধুরী বেবী, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান সাইদ, বাংলাদেশ হল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন প্রধান, পরিচালক ও সংলাপ রচয়িতা ছটকু আহমেদ, পরিচালক জাকির হোসেন রাজু, গাজী মাহবুব, সাইমন তারিক ও হাসিব রেজা মিলন, জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র ফোরামের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার শাহজাহান শামীম, সংগীত পরিচালক রিপন খান, মাকসুদ জামিল মিন্টু, গীতিকার মুন্সী ওয়াদুদ, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, পরিচালক ও অভিনেতা শাওন আশরাফ, সাংবাদিক মো. রফিকুজ্জামান, শপথ চৌধুরী, আবদুল্লাহ জেয়াদ, আহমেদ তেপান্তর, মোস্তফা মতিহার ও কেয়া চৌধুরী, সংগীতা চৌধুরী, বাউলশিল্পী রুমি সরকার, লেখক-নির্মাতা মোস্তফা মনন প্রমুখ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাসাসের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, বাচসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিমন মাহফুজ, নাট্যকার রেজাউর রহমান রিজভী, সাংস্কৃতিক কর্মী সংগীতা বিশ্বাস শারমিন, বিসিআরএর সহসভাপতি সৌমিক হাসান সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহার সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত কবীর, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রোমন রায়, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক আকাশ বাবু, উপদেষ্টা জাকির হোসেন প্রমুখ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চলচ্চিত্র-সংস্কৃতির বাধা দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

Update Time : 10:25:33 am, Monday, 7 September 2026

চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির বিকাশে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার, শিল্পী, নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা বলেছেন, সংস্কৃতিচর্চার পথে বাধা নতুন নয়।

অতীতেও ছিল, এখনো আছে। তবে সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে এসব বাধা দূর করা সম্ভব। 

আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিআরএ) আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির প্রতিবন্ধকতা রোধে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিসিআরএর সভাপতি মনিরুল ইসলাম।

বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিত্রনায়ক ও জাসাস আহ্বায়ক হেলাল খান বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কৃতিবান্ধব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যেও সাংস্কৃতিক চেতনা রয়েছে। সংস্কৃতি আমাদের রক্তে মিশে আছে। চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির বিকাশে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে।

নতুন সিনেমা হল নির্মাণসহ শিল্পচর্চার উপযোগী পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। 

সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন উল্লেখ করে হেলাল খান বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্যও উপযোগী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে মনিরুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গন নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। কনসার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া, বাউলশিল্পীদের ওপর হামলা, নৌকাবাইচ বন্ধ হওয়াসহ বিভিন্ন ঘটনা সংস্কৃতির স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সম্মিলিত আলোচনা ও কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।

সংস্কৃতির বিকাশের জন্য নিরাপদ ও মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। 

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু বলেন, চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনে সুশাসন ও দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করা গেলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। এতে চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন বিনিয়োগের পথ তৈরি হবে এবং শিল্পটি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে।

প্রবীণ চলচ্চিত্র নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের দাবি জানান। তিনি বলেন, অনুদান প্রযোজকদের হাতে দেওয়া হলে তারা মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণে আরো উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাতাদের বিভিন্ন ধরনের গল্প, বিষয় ও ভাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সৃজনশীলতার বিকাশে অপ্রয়োজনীয় বাধা চলচ্চিত্র শিল্পকে পিছিয়ে দেয়।

সেন্সর নীতিমালার সংস্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে দর্শকের রুচি ও চলচ্চিত্রের ভাষা বদলেছে। তাই চলচ্চিত্রের স্বাধীন সৃজনশীলতা ও নির্মাতাদের কাজের সুযোগ বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যমান নীতিমালা সংস্কার করা প্রয়োজন। শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যাতে কোনো ধরনের ভয় বা চাপ ছাড়াই অনুষ্ঠান করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক ও স্থপতি মশিহ উদ্দিন শাকের, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সুমন, অডিও-ভিজ্যুয়াল টেকনিক্যাল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাদেক সিদ্দিকী, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেতা বাছির জামাল, টেলিভিশন ডিরেক্টস গিল্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীন মোহাম্মদ মন্টু, চিত্রনায়িকা নতূন, অধ্যাপিকা রোকেয়া চৌধুরী বেবী, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান সাইদ, বাংলাদেশ হল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন প্রধান, পরিচালক ও সংলাপ রচয়িতা ছটকু আহমেদ, পরিচালক জাকির হোসেন রাজু, গাজী মাহবুব, সাইমন তারিক ও হাসিব রেজা মিলন, জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র ফোরামের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার শাহজাহান শামীম, সংগীত পরিচালক রিপন খান, মাকসুদ জামিল মিন্টু, গীতিকার মুন্সী ওয়াদুদ, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, পরিচালক ও অভিনেতা শাওন আশরাফ, সাংবাদিক মো. রফিকুজ্জামান, শপথ চৌধুরী, আবদুল্লাহ জেয়াদ, আহমেদ তেপান্তর, মোস্তফা মতিহার ও কেয়া চৌধুরী, সংগীতা চৌধুরী, বাউলশিল্পী রুমি সরকার, লেখক-নির্মাতা মোস্তফা মনন প্রমুখ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাসাসের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, বাচসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিমন মাহফুজ, নাট্যকার রেজাউর রহমান রিজভী, সাংস্কৃতিক কর্মী সংগীতা বিশ্বাস শারমিন, বিসিআরএর সহসভাপতি সৌমিক হাসান সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহার সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত কবীর, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রোমন রায়, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক আকাশ বাবু, উপদেষ্টা জাকির হোসেন প্রমুখ।