Dhaka 6:35 pm, Wednesday, 28 October 2026
সর্বশেষ
ডেঙ্গুতে আরো ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৮২ সত্যিই কি ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে দেশি মাছ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : কৃষিমন্ত্রী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু : প্রতিমন্ত্রী নুর শ্বাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাইয়ের যাবজ্জীবন ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে এখন পর্যন্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : ইসি সচিব মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগে আট বাংলাদেশি আটক হরিনারায়ণপুরে দুই ভাইয়ের নির্বাচনী লড়াই নিয়ে তুমুল আলোচনা জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশের

শ্বাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাইয়ের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 10:30:05 am, Wednesday, 28 October 2026
  • / 10 Time View

হবিগঞ্জের মাধবপুরে শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে হত্যার দায়ে জামাই অলিউর রহমান অলিকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১) কাঁকন দে এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত অলিউর রহমান অলি উপজেলার তুলশীপুর (অলিপুর) গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে। 

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ মে সকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অলিউর রহমান তার শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে স্বর্ণ কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। এরপর আর বাড়িতে ফিরে আসেননি তিনি। পরে ১ জুন চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে বেতবাগান থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ দেখে নিহতের ছেলে মরদেহটি তার মা জাহানারা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় তার ছেলে মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অলির বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে বিচারক আজ এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. গুলজার আহমেদ খান। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে জানিয়ে গুলজার আহমেদ জানায়, এটি একটি ক্লুলেস মার্ডার ছিল।

আসামি ভুক্তভোগীকে ডেকে নিয়ে যাওয়া, আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি, একসঙ্গে অবস্থানের সিডিআর এবং বিচারকালে ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে। 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শ্বাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাইয়ের যাবজ্জীবন

Update Time : 10:30:05 am, Wednesday, 28 October 2026

হবিগঞ্জের মাধবপুরে শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে হত্যার দায়ে জামাই অলিউর রহমান অলিকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১) কাঁকন দে এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত অলিউর রহমান অলি উপজেলার তুলশীপুর (অলিপুর) গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে। 

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ মে সকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অলিউর রহমান তার শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমকে স্বর্ণ কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। এরপর আর বাড়িতে ফিরে আসেননি তিনি। পরে ১ জুন চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ারের দক্ষিণ পাশে বেতবাগান থেকে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ দেখে নিহতের ছেলে মরদেহটি তার মা জাহানারা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় তার ছেলে মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অলির বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে বিচারক আজ এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মো. গুলজার আহমেদ খান। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে জানিয়ে গুলজার আহমেদ জানায়, এটি একটি ক্লুলেস মার্ডার ছিল।

আসামি ভুক্তভোগীকে ডেকে নিয়ে যাওয়া, আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি, একসঙ্গে অবস্থানের সিডিআর এবং বিচারকালে ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রসিকিউশন পক্ষ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে।