Dhaka 5:16 pm, Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ
চীনে কম্পিউটার সায়েন্স ও এআই বিষয়ে পড়তে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পিছিয়েছে ইসরায়েলি নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুর প্রশংসায় ট্রাম্প জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ জাপানি বিনিয়োগে দেশে দুই লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাংলাদেশের প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ কৃষি, প্রযুক্তি ও ওষুধশিল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস বিগত সময়ে অপরিকল্পিত ব্যবস্থা ও দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি হয়নি : রাষ্ট্রপতি তথ্য যাচাইয়ের কথা বলে ফের সময় নিল টাস্কফোর্স

তথ্য যাচাইয়ের কথা বলে ফের সময় নিল টাস্কফোর্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 08:58:47 am, Tuesday, 27 October 2026
  • / 11 Time View

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে ফের সময় নিয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত এ তদন্ত দল।

পরবর্তী শুনানির জন্য ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল পরর্বতী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। হাইকোর্টের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত রিটের শুনানি হয়। মামলাটির তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে শুনানির সময় এ বিষয়টি সামনে আসে।

দীর্ঘ ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্তের দায়িত্বে থাকা উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারেনি। ফলে মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এ টাস্কফোর্সকে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এতে পুলিশ সদর দপ্তর, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও র‍্যাবের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট টাস্কফোর্সকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে আরও ছয় মাস সময় দেন। তবে তদন্তের অগ্রগতি ও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কারণে প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি আবারও আদালতে আসে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে থানা-পুলিশ, পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। অগ্রগতি না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের এপ্রিলে তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। তদন্তের দায়িত্বে পরিবর্তন এনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের পরও প্রতিবেদন জমা দিতে একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে। 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

তথ্য যাচাইয়ের কথা বলে ফের সময় নিল টাস্কফোর্স

Update Time : 08:58:47 am, Tuesday, 27 October 2026

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে ফের সময় নিয়েছে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত এ তদন্ত দল।

পরবর্তী শুনানির জন্য ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল পরর্বতী দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। হাইকোর্টের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত রিটের শুনানি হয়। মামলাটির তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে শুনানির সময় এ বিষয়টি সামনে আসে।

দীর্ঘ ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্তের দায়িত্বে থাকা উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পারেনি। ফলে মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এ টাস্কফোর্সকে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এতে পুলিশ সদর দপ্তর, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও র‍্যাবের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট টাস্কফোর্সকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে আরও ছয় মাস সময় দেন। তবে তদন্তের অগ্রগতি ও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কারণে প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি আবারও আদালতে আসে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে থানা-পুলিশ, পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। অগ্রগতি না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের এপ্রিলে তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। তদন্তের দায়িত্বে পরিবর্তন এনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের পরও প্রতিবেদন জমা দিতে একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে।