বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া বাণিজ্য ও জনশক্তি সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা
- Update Time : 11:33:48 am, Thursday, 8 October 2026
- / 3 Time View
বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, শিক্ষা, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান, অভিবাসন, ভিসা সহজীকরণ, নারী ক্ষমতায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ভিদমান্তাস ভারবিকাস।
এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারি জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে শামা ওবায়েদ বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতা আরো বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণে কাজ করে যাচ্ছে।
শামা ওবায়েদ সফট ডিপ্লোমেসি সম্প্রসারণের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা এবং অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে লিথুয়ানিয়াকে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, আসবাবপত্র ও প্লাস্টিকপণ্য আমদানির আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়টিও তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি লিথুয়ানিয়ার বিনিয়োগকারীদের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
এ ছাড়া পরিবেশের অবক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিষয়েও দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর, ব্যবসায়িক চেম্বারগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, যুব ও শিক্ষার্থী বিনিময়, সাংস্কৃতিক দল ও ক্রীড়া দলের সফর, পর্যটন সহযোগিতা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয় উভয় পক্ষ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার সম্পর্কের সম্ভাবনাময় নতুন ক্ষেত্রগুলো কাজে লাগানোর বিষয়ে তারা একমত হন।









