Dhaka 10:29 pm, Monday, 5 October 2026
সর্বশেষ
হালদা নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় অভিযান, এক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ৬ দিন ১৯ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম বন্ধ লাওসে বাংলাদেশি কর্মী নেয়া ও ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে জরুরি বার্তা সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালানো সেই প্রধান শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা কাজী জাফর উল্লাহ পরিবারের ১৫৫ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে : হুমায়ুন কবির সৌদিতে হুতি হামলায় বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ঢাকার নিন্দা আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলন নয়, বিচার নিশ্চিত করতে হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬ ঢামেকের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলন নয়, বিচার নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 02:48:27 pm, Monday, 5 October 2026
  • / 5 Time View

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিকভাবে কী হবে, সেটি আলাদা বিষয়; তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে যারা জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

আজ সোমবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার করতে হবে। তবে এই বিচার শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়; ভবিষ্যতে যেন কেউ আবার বাংলাদেশে এমন কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সে জন্য একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করাও এর উদ্দেশ্য।

কায়সার কামাল বলেন, যেসব ব্যক্তি বিদেশে অবস্থান করছেন, তারা কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের নামে তাদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

গত দেড় দশকে বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

ভবিষ্যতে দেশে একটি ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। 

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। সরকারের বৈধতা ও জনআস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের ওপর। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলন নয়, বিচার নিশ্চিত করতে হবে

Update Time : 02:48:27 pm, Monday, 5 October 2026

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিকভাবে কী হবে, সেটি আলাদা বিষয়; তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে যারা জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

আজ সোমবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার করতে হবে। তবে এই বিচার শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়; ভবিষ্যতে যেন কেউ আবার বাংলাদেশে এমন কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সে জন্য একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করাও এর উদ্দেশ্য।

কায়সার কামাল বলেন, যেসব ব্যক্তি বিদেশে অবস্থান করছেন, তারা কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের নামে তাদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

গত দেড় দশকে বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

ভবিষ্যতে দেশে একটি ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। 

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। সরকারের বৈধতা ও জনআস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের ওপর। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।