জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে : হুমায়ুন কবির
- Update Time : 02:53:11 pm, Monday, 5 October 2026
- / 2 Time View
দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হতে হবে নীতিনিষ্ঠ, বাস্তবমুখী ও জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পারস্পরিক সম্মান ও সুবিধার ভিত্তিতে অংশীদারি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ কথা বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সোমবার (৫ অক্টোবর) মিরপুরে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) প্রতিষ্ঠানটির একটি কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, তীব্রতর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক দুর্বলতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তদেশীয় হুমকি মোকাবেলায় বাংলাদেশের দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ব্যাখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর অর্থ বিচ্ছিন্ন থাকা নয়। বরং দেশের স্বার্থকে কূটনীতির কেন্দ্রে রাখা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সম্মান ও সুবিধার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারি সম্প্রসারণ করাই এ নীতির লক্ষ্য।
তিনি আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা জোরদার, অর্থনৈতিক সংহতি বৃদ্ধি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
চীন, ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও স্পষ্ট অবস্থান বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কের স্বতন্ত্র সুযোগ ও চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ সুরক্ষার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হতে হবে এমন, যা সংঘাত সৃষ্টি না করে আত্মবিশ্বাসী, নির্ভরশীল না হয়ে উন্মুক্ত এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস না করে বাস্তবমুখী।’
তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারি সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে বাস্তবমুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে।









