Dhaka 11:39 pm, Monday, 5 October 2026
সর্বশেষ
হালদা নদীর পরিবেশ সুরক্ষায় অভিযান, এক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ৬ দিন ১৯ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম বন্ধ লাওসে বাংলাদেশি কর্মী নেয়া ও ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে জরুরি বার্তা সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালানো সেই প্রধান শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা কাজী জাফর উল্লাহ পরিবারের ১৫৫ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে : হুমায়ুন কবির সৌদিতে হুতি হামলায় বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ঢাকার নিন্দা আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো পুনর্মিলন নয়, বিচার নিশ্চিত করতে হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৬ ঢামেকের জরুরি বিভাগের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার

২০টি জেলায় সমন্বিত অক্সিজেন প্রকল্প নিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:05:45 pm, Sunday, 4 October 2026
  • / 4 Time View

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চলতি অর্থবছরেই অন্তত ২০টি জেলায় ‘সমন্বিত মেডিক্যাল অক্সিজেন প্রকল্প’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ‘ল্যানসেট কমিশন’-এর সুপারিশ অনুযায়ী ‘অক্সিজেন অ্যাকসেস স্কোরকার্ড’ অর্জনে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (আইইউবি) অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিট’-এর সমাপনী ও উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। সামিটটি যৌথভাবে আয়োজন করে আইইউবির ‘সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস’ (সিএইচআইপিএস) ও ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন নেটওয়ার্ক’।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, কোভিড মহামারি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০২৩ সালের প্রস্তাবনার পর মেডিক্যাল অক্সিজেন আর কোনো সাময়িক চাহিদা নয়, বরং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ।

অতীতে অক্সিজেন ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা ও সরঞ্জামের অব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে, যার আওতায় ২০টি জেলায় সমন্বিত অক্সিজেন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের জন্য একটি কার্যকর ‘ন্যাশনাল অক্সিজেন রোডম্যাপ’ প্রণয়ন এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

এ ছাড়া চিকিৎসা পাঠ্যক্রমে অক্সিজেন থেরাপির সঠিক ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত করতে বিএমডিসি এবং নার্সিং কাউন্সিলকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

জরুরি চিকিৎসাসেবা ও অ্যাম্বুল্যান্সের মান নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন আইনগত কাঠামো নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স সেবার সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় যেকোনো গাড়ির ওপর বাতি জ্বালিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স হিসেবে চালানোর প্রবণতা বন্ধ করা হবে। দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট আইন ও স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করা হচ্ছে, যেখানে কার্যকর অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে।

নীতি সংলাপে অন্যান্য বক্তারা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে দেশে একটি সাশ্রয়ী, সমতাভিত্তিক ও টেকসই মেডিক্যাল অক্সিজেন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

২০টি জেলায় সমন্বিত অক্সিজেন প্রকল্প নিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Update Time : 01:05:45 pm, Sunday, 4 October 2026

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চলতি অর্থবছরেই অন্তত ২০টি জেলায় ‘সমন্বিত মেডিক্যাল অক্সিজেন প্রকল্প’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ‘ল্যানসেট কমিশন’-এর সুপারিশ অনুযায়ী ‘অক্সিজেন অ্যাকসেস স্কোরকার্ড’ অর্জনে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (আইইউবি) অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিট’-এর সমাপনী ও উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। সামিটটি যৌথভাবে আয়োজন করে আইইউবির ‘সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস’ (সিএইচআইপিএস) ও ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন নেটওয়ার্ক’।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, কোভিড মহামারি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০২৩ সালের প্রস্তাবনার পর মেডিক্যাল অক্সিজেন আর কোনো সাময়িক চাহিদা নয়, বরং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ।

অতীতে অক্সিজেন ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা ও সরঞ্জামের অব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে, যার আওতায় ২০টি জেলায় সমন্বিত অক্সিজেন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের জন্য একটি কার্যকর ‘ন্যাশনাল অক্সিজেন রোডম্যাপ’ প্রণয়ন এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

এ ছাড়া চিকিৎসা পাঠ্যক্রমে অক্সিজেন থেরাপির সঠিক ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত করতে বিএমডিসি এবং নার্সিং কাউন্সিলকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

জরুরি চিকিৎসাসেবা ও অ্যাম্বুল্যান্সের মান নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন আইনগত কাঠামো নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স সেবার সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় যেকোনো গাড়ির ওপর বাতি জ্বালিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স হিসেবে চালানোর প্রবণতা বন্ধ করা হবে। দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট আইন ও স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করা হচ্ছে, যেখানে কার্যকর অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে।

নীতি সংলাপে অন্যান্য বক্তারা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে দেশে একটি সাশ্রয়ী, সমতাভিত্তিক ও টেকসই মেডিক্যাল অক্সিজেন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।