Dhaka 8:01 am, Sunday, 4 October 2026
সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে ‘প্রবীণ কণ্ঠ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপজেলা প্রশাসনকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্র সফরে মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন জুবাইদা রহমান সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ ৪ বারে অভিযান যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম গাজীপুরে চকোলেটের প্রলোভনে শিশুকে অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার এশিয়ার অর্থনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ : রেহমান সোবহান দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে : অর্থমন্ত্রী স্পেনের রাজপথে হাজার হাজার মানুষ সাবেক এমপি কায়সারের ছোট ভাই সানজিদ গ্রেপ্তার

বিশ্বজুড়ে বন্ডবাজারে ধস, ১৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে মার্কিন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 04:17:50 am, Friday, 2 October 2026
  • / 11 Time View

টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো আজ শুক্রবার শক্তিশালী হওয়ার পথে রয়েছে মার্কিন ডলার। ১৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি রয়েছে মুদ্রাটি।

বিশ্বজুড়ে সরকারি বন্ডের দাম কমায় ঋণের খরচ বেড়েছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। 

রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে বন্ড বিক্রির চাপ দেখা যায়।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছরমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার বেড়ে ৫ দশমিক ৩৪৪ শতাংশে ওঠে। ২০০২ সালের পর এটি ছিল সর্বোচ্চ। শুক্রবার দিনের শুরুতে এই সুদের হার কিছুটা কমে ৫ দশমিক ২৪৯ শতাংশে নেমে আসে। এদিকে বিনিয়োগকারীদের নজর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের দিকে।

এই প্রতিবেদন দেশটির সুদের হার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। 

ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের অবস্থান পরিমাপ করা ডলার সূচক ছিল ১০২ দশমিক ০৮। চলতি সপ্তাহে সূচকটি প্রায় ১ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে। টানা তৃতীয় সপ্তাহে সূচকটি বাড়ছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে ডলারের এমন টানা তিন সপ্তাহের বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল।

সাক্সোর প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ চারু চানানা বলেন, বিনিয়োগকারীরা এমন একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, যেখানে মূল্যস্ফীতি কমছে না, সরকার বিপুল ঋণ নিচ্ছে এবং বাজারে সরকারি বন্ডের সরবরাহ বাড়ছে। 

তিনি বলেন, স্বল্প মেয়াদে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমলেও দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের সুদের হার বাড়ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী সুদের হার নির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি ও সরকারের আর্থিক ঝুঁকিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তামূল্য প্রত্যাশার চেয়ে কম বেড়েছে। একই সঙ্গে জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতির হিসাবও কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। এতে চলতি মাসের শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের বাজি কমেছে।

চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ দুই নীতিনির্ধারকও সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরো তথ্য পাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণে শুক্রবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের গুরুত্ব বেড়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশটিতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। বেকারত্বের হার টানা তৃতীয় মাসের মতো ৪ দশমিক ১ শতাংশ থাকতে পারে। পেপারস্টোনের গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস ওয়েস্টন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন মূল্যস্ফীতি ও পণ্যের দামের ওপর বেশি নজর দিচ্ছে। তাই মজুরি বৃদ্ধির হার বেশি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার, সরকারি বন্ড ও ডলারের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা থমকে আছে। এর মধ্যে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ভবিষ্যৎ চুক্তির দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। ইউরোর দাম ছিল ১ দশমিক ১২৩৭ ডলার। ২০২৫ সালের মে মাসের পর এটি সর্বনিম্ন দামের কাছাকাছি। ফ্রান্সের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় ইউরোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ফ্রান্সের সরকারি বন্ডের সুদের হারও ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। ইউরো জাপানি ইয়েন ও সুইস ফ্রাঁর বিপরীতেও দুর্বল হয়েছে।

এক ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দাম ছিল ১৫৮। সেপ্টেম্বরে জাপানের বার্ষিক মূল মূল্যস্ফীতি ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বাড়লেও ইয়েনের দামে বড় পরিবর্তন হয়নি। ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ছিল ১ দশমিক ৩১৮৭ ডলার। অস্ট্রেলীয় ডলারের দাম ০ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে শূন্য দশমিক ৬৯১৮ ডলারে নেমেছে। দুটি মুদ্রাই তিন মাসের সর্বনিম্ন দামের কাছাকাছি রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ডলারের দাম ০ দশমিক ২২ শতাংশ কমে শূন্য দশমিক ৫৫৯১ ডলারে নেমেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর এটি মুদ্রাটির সর্বনিম্ন দাম।

টিডি সিকিউরিটিজের জ্যেষ্ঠ সুদের হার কৌশলবিদ প্রশান্ত নিউনাহা বলেন, বাজার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে—এমনটা স্পষ্ট নয়। ইউরোপের বিভিন্ন সমস্যার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এ পরিস্থিতিতে ডলার ও ইয়েন একই সময়ে শক্তিশালী হতে পারে। সম্প্রতি ডলারের শক্তিশালী হওয়ার পেছনে ইউরোর দুর্বলতাও বড় ভূমিকা রাখছে। ইউরোপে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এতে ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব পড়েছে।

পেপারস্টোনের ওয়েস্টন বলেন, ডলারের শক্তিশালী হওয়ার ধরন বদলে যাচ্ছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির চেয়ে অন্য দেশগুলোর সমস্যা ডলারের চাহিদা বাড়াতে বেশি ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ইউরোপের সমস্যাগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিশ্বজুড়ে বন্ডবাজারে ধস, ১৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে মার্কিন ডলার

Update Time : 04:17:50 am, Friday, 2 October 2026

টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো আজ শুক্রবার শক্তিশালী হওয়ার পথে রয়েছে মার্কিন ডলার। ১৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি রয়েছে মুদ্রাটি।

বিশ্বজুড়ে সরকারি বন্ডের দাম কমায় ঋণের খরচ বেড়েছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। 

রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে বন্ড বিক্রির চাপ দেখা যায়।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছরমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার বেড়ে ৫ দশমিক ৩৪৪ শতাংশে ওঠে। ২০০২ সালের পর এটি ছিল সর্বোচ্চ। শুক্রবার দিনের শুরুতে এই সুদের হার কিছুটা কমে ৫ দশমিক ২৪৯ শতাংশে নেমে আসে। এদিকে বিনিয়োগকারীদের নজর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের দিকে।

এই প্রতিবেদন দেশটির সুদের হার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। 

ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের অবস্থান পরিমাপ করা ডলার সূচক ছিল ১০২ দশমিক ০৮। চলতি সপ্তাহে সূচকটি প্রায় ১ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে। টানা তৃতীয় সপ্তাহে সূচকটি বাড়ছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে ডলারের এমন টানা তিন সপ্তাহের বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল।

সাক্সোর প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ চারু চানানা বলেন, বিনিয়োগকারীরা এমন একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, যেখানে মূল্যস্ফীতি কমছে না, সরকার বিপুল ঋণ নিচ্ছে এবং বাজারে সরকারি বন্ডের সরবরাহ বাড়ছে। 

তিনি বলেন, স্বল্প মেয়াদে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমলেও দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের সুদের হার বাড়ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী সুদের হার নির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ঝুঁকি ও সরকারের আর্থিক ঝুঁকিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তামূল্য প্রত্যাশার চেয়ে কম বেড়েছে। একই সঙ্গে জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতির হিসাবও কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। এতে চলতি মাসের শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের বাজি কমেছে।

চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ দুই নীতিনির্ধারকও সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরো তথ্য পাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণে শুক্রবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের গুরুত্ব বেড়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশটিতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। বেকারত্বের হার টানা তৃতীয় মাসের মতো ৪ দশমিক ১ শতাংশ থাকতে পারে। পেপারস্টোনের গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস ওয়েস্টন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন মূল্যস্ফীতি ও পণ্যের দামের ওপর বেশি নজর দিচ্ছে। তাই মজুরি বৃদ্ধির হার বেশি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার, সরকারি বন্ড ও ডলারের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা থমকে আছে। এর মধ্যে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ভবিষ্যৎ চুক্তির দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। ইউরোর দাম ছিল ১ দশমিক ১২৩৭ ডলার। ২০২৫ সালের মে মাসের পর এটি সর্বনিম্ন দামের কাছাকাছি। ফ্রান্সের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় ইউরোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ফ্রান্সের সরকারি বন্ডের সুদের হারও ১৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। ইউরো জাপানি ইয়েন ও সুইস ফ্রাঁর বিপরীতেও দুর্বল হয়েছে।

এক ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দাম ছিল ১৫৮। সেপ্টেম্বরে জাপানের বার্ষিক মূল মূল্যস্ফীতি ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বাড়লেও ইয়েনের দামে বড় পরিবর্তন হয়নি। ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ছিল ১ দশমিক ৩১৮৭ ডলার। অস্ট্রেলীয় ডলারের দাম ০ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে শূন্য দশমিক ৬৯১৮ ডলারে নেমেছে। দুটি মুদ্রাই তিন মাসের সর্বনিম্ন দামের কাছাকাছি রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ডলারের দাম ০ দশমিক ২২ শতাংশ কমে শূন্য দশমিক ৫৫৯১ ডলারে নেমেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর এটি মুদ্রাটির সর্বনিম্ন দাম।

টিডি সিকিউরিটিজের জ্যেষ্ঠ সুদের হার কৌশলবিদ প্রশান্ত নিউনাহা বলেন, বাজার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে—এমনটা স্পষ্ট নয়। ইউরোপের বিভিন্ন সমস্যার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এ পরিস্থিতিতে ডলার ও ইয়েন একই সময়ে শক্তিশালী হতে পারে। সম্প্রতি ডলারের শক্তিশালী হওয়ার পেছনে ইউরোর দুর্বলতাও বড় ভূমিকা রাখছে। ইউরোপে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এতে ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব পড়েছে।

পেপারস্টোনের ওয়েস্টন বলেন, ডলারের শক্তিশালী হওয়ার ধরন বদলে যাচ্ছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির চেয়ে অন্য দেশগুলোর সমস্যা ডলারের চাহিদা বাড়াতে বেশি ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ইউরোপের সমস্যাগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।