বিরোধীদলকে অহেতুক কথা বলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার অনুরোধ রিজভীর
- Update Time : 09:37:02 am, Saturday, 12 September 2026
- / 1 Time View
পার্লামেন্ট ও এর বাইরে বিরোধীদলকে গঠনমূলক কথা বলার অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়াও অহেতুক কথা বলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার অনুরোধও জানান তিনি।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ১২ দল আয়োজিত দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ১২ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত ‘দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করবে, সংসদে ও সংসদের বাইরে কথা বলবে এবং কর্মসূচিও দিতে পারবে। তবে অলীক বা অহেতুক কোনো বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত হইচই করা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয় না।
বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে—এমন বিষয় নিয়েই বিরোধীদলের কথা বলা উচিত।
রিজভী বলেন, ‘সরকার আশা করছে সংসদের ভেতরে ও বাইরে গঠনমূলক কথা বলবে বিরোধীদল।’ একইসঙ্গে অহেতুক কথা বলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার আহবানও জানান তিনি।
দেশের গ্যাস, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, মাত্র ৬ মাসের সরকার এসব সংকটের জন্য দায়ী নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি বন্ধ রয়েছে। সেটি ঠিক করার চেষ্টা চলছে এবং শিগগির স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট নষ্ট হওয়ায় সেখান থেকেও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
রিজভী বলেন, ‘একর পর এক কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে, কোথাও একটা ইউনিট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে—এটা কেন হচ্ছে? মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটা কি কোনো ঘটনা, কোনো রহস্য, নাশকতা বা ষড়যন্ত্র কি না—সেটিও ভাবতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পাওনা পরিশোধ করছে। ভারতের সঙ্গে বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত চুক্তির আওতায় তাদের পাওনাও দেওয়া হচ্ছে। এরপরও কেন একের পর এক সমস্যা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন মানুষের মনে তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।