Dhaka 9:56 pm, Wednesday, 9 September 2026
সর্বশেষ

আহমদিয়া নিপীড়ন নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, পাকিস্তানকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 04:14:59 am, Tuesday, 8 September 2026
  • / 7 Time View

পাকিস্তানে আহমদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর নিপীড়নের ঘটনা অব্যাহত থাকার খবরে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তারা দেশটির সরকার ও কর্তৃপক্ষকে আহমদিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব মানুষের মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক দায়িত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

রবিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা হয়রানি, ফৌজদারি মামলা, সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন—এমন ধারাবাহিক খবর তারা পাচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের চিন্তা, বিবেক, ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রয়েছে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য, ভয় দেখানো বা সহিংসতার শিকার করা উচিত নয়—জানায় এএনআই। শান্তিপূর্ণভাবে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ ও পালন করার ক্ষেত্রেও কাউকে বাধা দেওয়া উচিত নয়।

তারা আরো বলেন, কোনো ব্যক্তির মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও তার ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে বৈষম্য করা যাবে না। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা আহমদিয়াদের উপাসনালয়ে হামলা, কবর অবমাননা এবং শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাদের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময়ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। ধর্মীয় আচার পালন বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে গ্রেপ্তার ও মামলা করার ঘটনাও ঘটছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং সহিংসতায় উসকানির ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এসব ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে হামলা ও নিপীড়নের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কার্যকর প্রতিকার দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তানকে ‘দায়মুক্তির ধারাবাহিকতা’ ভাঙার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এই দায়মুক্তির কারণে হামলা চালানো এবং বিদ্বেষ ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়া ব্যক্তিরা অনেক সময় বাধাহীনভাবে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারছেন। 

তারা বলেন, হামলার ঘটনাগুলো এমন একটি পরিবেশে ঘটছে, যেখানে সরকারের নীরব সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ভয়ভীতির কারণে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করতে পিছিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, পাকিস্তানে আহমদিয়ারা এখনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। এই বৈষম্য শুধু জনসমক্ষে বা সামাজিক জীবনে সীমাবদ্ধ নেই। তাদের মতে, এর প্রভাব আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলেন, শুধু ধর্মীয় উৎসব পালন বা ধর্মীয় আচার অনুসরণ করার কারণে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক, নজরদারি বা ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি করা উচিত নয়। 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তান সরকারকে ধর্ম বা বিশ্বাসের পরিচয় বিবেচনা না করে দেশের সব মানুষের জন্য আইনের অধীনে সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, কোনো নাগরিকের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্য করা উচিত নয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানে এমন কিছু আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা রয়েছে কি না, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, সেগুলো পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, সাংস্কৃতিক অধিকার এবং আইনের চোখে সমতার মতো মৌলিক অধিকার রয়েছে।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুধু একটি একটি ঘটনার পর ব্যবস্থা নিলে হবে না। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের মতে, সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের প্রতি সম্মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে সব ধর্মীয় ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় বসতেও তারা প্রস্তুত।

তারা বলেন, পাকিস্তানে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সহনশীলতা ও সংলাপ বাড়ানোর উদ্যোগে সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং দেশটির সব ধর্মীয় সংখ্যালঘুর অধিকার আরো দৃঢ়ভাবে সুরক্ষিত করার পদক্ষেপেও তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আহমদিয়া নিপীড়ন নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, পাকিস্তানকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

Update Time : 04:14:59 am, Tuesday, 8 September 2026

পাকিস্তানে আহমদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর নিপীড়নের ঘটনা অব্যাহত থাকার খবরে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তারা দেশটির সরকার ও কর্তৃপক্ষকে আহমদিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব মানুষের মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক দায়িত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

রবিবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা হয়রানি, ফৌজদারি মামলা, সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন—এমন ধারাবাহিক খবর তারা পাচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের চিন্তা, বিবেক, ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রয়েছে। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য, ভয় দেখানো বা সহিংসতার শিকার করা উচিত নয়—জানায় এএনআই। শান্তিপূর্ণভাবে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ ও পালন করার ক্ষেত্রেও কাউকে বাধা দেওয়া উচিত নয়।

তারা আরো বলেন, কোনো ব্যক্তির মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও তার ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে বৈষম্য করা যাবে না। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা আহমদিয়াদের উপাসনালয়ে হামলা, কবর অবমাননা এবং শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাদের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময়ও আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। ধর্মীয় আচার পালন বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে গ্রেপ্তার ও মামলা করার ঘটনাও ঘটছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং সহিংসতায় উসকানির ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এসব ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে হামলা ও নিপীড়নের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কার্যকর প্রতিকার দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তানকে ‘দায়মুক্তির ধারাবাহিকতা’ ভাঙার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এই দায়মুক্তির কারণে হামলা চালানো এবং বিদ্বেষ ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়া ব্যক্তিরা অনেক সময় বাধাহীনভাবে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারছেন। 

তারা বলেন, হামলার ঘটনাগুলো এমন একটি পরিবেশে ঘটছে, যেখানে সরকারের নীরব সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ভয়ভীতির কারণে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করতে পিছিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ঘটনাগুলো দেখিয়েছে, পাকিস্তানে আহমদিয়ারা এখনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন। এই বৈষম্য শুধু জনসমক্ষে বা সামাজিক জীবনে সীমাবদ্ধ নেই। তাদের মতে, এর প্রভাব আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে বলেন, শুধু ধর্মীয় উৎসব পালন বা ধর্মীয় আচার অনুসরণ করার কারণে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক, নজরদারি বা ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি করা উচিত নয়। 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তান সরকারকে ধর্ম বা বিশ্বাসের পরিচয় বিবেচনা না করে দেশের সব মানুষের জন্য আইনের অধীনে সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, কোনো নাগরিকের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্য করা উচিত নয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানে এমন কিছু আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা রয়েছে কি না, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, সেগুলো পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, সাংস্কৃতিক অধিকার এবং আইনের চোখে সমতার মতো মৌলিক অধিকার রয়েছে।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুধু একটি একটি ঘটনার পর ব্যবস্থা নিলে হবে না। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের মতে, সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের প্রতি সম্মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে সব ধর্মীয় ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে এবং মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় বসতেও তারা প্রস্তুত।

তারা বলেন, পাকিস্তানে সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সহনশীলতা ও সংলাপ বাড়ানোর উদ্যোগে সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং দেশটির সব ধর্মীয় সংখ্যালঘুর অধিকার আরো দৃঢ়ভাবে সুরক্ষিত করার পদক্ষেপেও তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।