রাজবাড়ীতে রেলওয়ে ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে রেল সচিব
- Update Time : 10:45:37 am, Friday, 28 August 2026
- / 5 Time View
রাজবাড়ীতে রেলওয়ে ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণের সম্ভাব্য স্থানসহ বিভিন্ন রেলওয়ে স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ খুশি রেলওয়ে ময়দান ও খেলার মাঠ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।
পরে আজাদী ময়দানের হোসনেবাগ অডিটরিয়াম, রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন এবং প্রস্তাবিত ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন রেল সচিব।
পরিদর্শন শেষে রাজবাড়ীকে ‘রেলের শহর’ হিসেবে উল্লেখ করে রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেন, রাজবাড়ীতে রেলের প্রচুর জমি ও স্থাপনা রয়েছে। এসব জমিতে স্কুলসহ বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে, যার কিছু প্রয়োজনীয়। প্রয়োজনীয় স্থাপনা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট জায়গা জনস্বার্থে কিভাবে ব্যবহার করা যায়, তা দেখা হচ্ছে।
রেলপথ সচিব বলেন, রাজবাড়ী রেলওয়ে খেলার মাঠ উন্নয়নে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এতে রেলওয়ের মালিকানা বজায় রেখেই মাঠের উন্নয়নকাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ও জনস্বার্থে এখানে একটি ‘কালচারাল কমপ্লেক্স’ করা যায় কি না, সেটিও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, রাজবাড়ীতে রেলওয়ে ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণ সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প।
এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১০৫ একর জমি প্রয়োজন। এ বিষয়ে ২০২৩ সালে রাজবাড়ীতে অংশীজনদের নিয়ে সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকল্পটি সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিনিয়োগকারী খোঁজা হচ্ছে। ইতিমধ্যে চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময়ও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সচিব বলেন, ক্যারেজ ওয়ার্কশপ নির্মাণের পাশাপাশি সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। এ কারণে রেলের জমির প্রয়োজন হবে। তাই চাইলেই হুটহাট করে রেলের সব জায়গা অন্য কোনো কাজে দেওয়া সম্ভব নয়।
রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনকে উত্তরমুখী থেকে দক্ষিণমুখী করে আধুনিকায়নের একটি প্রস্তাব রয়েছে বলেও জানান রেলপথ সচিব। তিনি বলেন, রাজস্ব খাতের অর্থ দিয়ে এটি করা সম্ভব নয়। স্টেশনটি রিমডেলিং করতে হলে আলাদা প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।
রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ রেলওয়ের একটি ধারাবাহিক ও চলমান প্রক্রিয়া।
এ সময় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বিকেলে রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন রেল সচিব।









