Dhaka 6:59 am, Saturday, 5 September 2026

জাপানে ৫ মাসে ৯ মন্দিরে আগুন, ৫৭০ বছরের পুরনো মন্দিরও ভস্মীভূত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 04:14:38 pm, Wednesday, 2 September 2026
  • / 12 Time View

জাপানজুড়ে মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুটি অগ্নিকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।

এর একটি ছিল ৫৭০ বছরের পুরনো একটি শিন্তো মন্দিরে, যা আগুনে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। 

গত ৩১ আগস্ট জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’র কাছাকাছি একটি প্রধান শপিং আর্কেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মন্দিরটি থেকে স্থানটি ছিল ৭০০ মিটার দূরে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লাগে।

এতে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। 

এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে জাপান প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে শরণার্থীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

সরকারি পরিসংখ্যানেও দেখা গেছে, গত এক দশকে দেশটির মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে।

তবে প্রশাসনের বক্তব্যের পরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের দায়ী করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বাড়ছে। 

প্রসঙ্গত, জাপানে শিন্তো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য। দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ শিন্তো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও তীর্থস্থানে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ আরো বাড়ছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের অন্তত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনাকে পরিকল্পিত নাশকতা বা সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জাপানে ৫ মাসে ৯ মন্দিরে আগুন, ৫৭০ বছরের পুরনো মন্দিরও ভস্মীভূত

Update Time : 04:14:38 pm, Wednesday, 2 September 2026

জাপানজুড়ে মন্দির ও তীর্থস্থানে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুটি অগ্নিকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।

এর একটি ছিল ৫৭০ বছরের পুরনো একটি শিন্তো মন্দিরে, যা আগুনে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। 

গত ৩১ আগস্ট জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ‘ইসে জিঙ্গু’র কাছাকাছি একটি প্রধান শপিং আর্কেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মন্দিরটি থেকে স্থানটি ছিল ৭০০ মিটার দূরে। পরদিন সকালে সানিও-ওনোদা শহরের সেইয়ানজি মন্দিরে আগুন লাগে।

এতে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। 

এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে জাপান প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে শরণার্থীদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

সরকারি পরিসংখ্যানেও দেখা গেছে, গত এক দশকে দেশটির মন্দির ও উপাসনালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কমেছে।

তবে প্রশাসনের বক্তব্যের পরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শরণার্থীদের দায়ী করে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ছে। এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ বাড়ছে। 

প্রসঙ্গত, জাপানে শিন্তো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য। দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ শিন্তো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও তীর্থস্থানে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ আরো বাড়ছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে জাপানের অন্তত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনাকে পরিকল্পিত নাশকতা বা সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।