Dhaka 7:41 am, Saturday, 5 September 2026

সুস্থ রাজনীতিতে তারেক রহমানের বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 12:22:54 am, Saturday, 5 September 2026
  • / 1 Time View

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘দেশ পরিচালনা ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই। তিনি অনন্য ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন রাজনীতিক।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘স্বাধীনতার পর প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে দেশকে টেনে তুলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন। একইভাবে তারেক রহমানও ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নয়ন—সবই বিএনপির অর্জন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ দেশ গঠনে কাজ করছেন। তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

উন্নয়নের জন্য তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতির প্রতি জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে নতুন ধারার উন্নয়নের রাজনীতিতে শামিল হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময় প্রথম জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিকশিত করার লক্ষ্যে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল তাঁর সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক‌ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সুস্থ রাজনীতিতে তারেক রহমানের বিকল্প নেই

Update Time : 12:22:54 am, Saturday, 5 September 2026

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘দেশ পরিচালনা ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই। তিনি অনন্য ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন রাজনীতিক।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘স্বাধীনতার পর প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে দেশকে টেনে তুলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন। একইভাবে তারেক রহমানও ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নয়ন—সবই বিএনপির অর্জন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ দেশ গঠনে কাজ করছেন। তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

উন্নয়নের জন্য তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতির প্রতি জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে নতুন ধারার উন্নয়নের রাজনীতিতে শামিল হতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময় প্রথম জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিকশিত করার লক্ষ্যে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল তাঁর সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক‌ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল।