যে কারণে শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের জরুরি অবতরণ
- Update Time : 02:33:04 pm, Saturday, 10 October 2026
- / 5 Time View
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ। এতে ক্রুসহ ৮২ জন আরোহী ছিলেন।
জানা গেছে, নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিক সম্প্রসারণে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কক্সবাজার-ঢাকা রুটের একটি উড়োজাহাজে জরুরি অবতরণের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে বিকল্প পদ্ধতিতে ল্যান্ডিং গিয়ার সম্প্রসারণ করে উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ মডেলের উড়োজাহাজটি ৭৮ জন যাত্রী ও চার জন ক্রুসহ মোট ৮২ জন আরোহী নিয়ে শনিবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।
উড়োজাহাজটির নির্ধারিত অবতরণের সময় ছিল দুপুর ২টা ৩০ মিনিট।
উড্ডয়নের পর উড়োজাহাজটির ২ নম্বর হাইড্রোলিক সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে সম্প্রসারণে সমস্যা হয়। এ পরিস্থিতিতে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পাইলট এরিয়া কন্ট্রোলের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতির কথা জানান।
তখন উড়োজাহাজটি আনুমানিক ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। পরে এরিয়া কন্ট্রোল ঢাকার টাওয়ারকে বিষয়টি অবহিত করে।
আকাশে চক্কর দিয়ে ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ, রানওয়ে বন্ধ আধা ঘণ্টাআকাশে চক্কর দিয়ে ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ, রানওয়ে বন্ধ আধা ঘণ্টা
জরুরি বার্তা পাওয়ার পর ঢাকা টাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়। বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস ও রেসকিউ দলকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়। পাশাপাশি মার্শালিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়।
বেবিচক জানায়, পাইলটের কার্যকর পদক্ষেপে বিকল্প পদ্ধতিতে নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়। পরে বিকাল ৩টা ৯ মিনিটে উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। অবতরণের পর যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেবিচক চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা), হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।









