মাদক মামলার চার্জ শুনানি : পায়ে ব্যথায় আদালতে আসেননি নায়িকা পরীমনি
- Update Time : 12:12:40 pm, Tuesday, 29 September 2026
- / 5 Time View
নায়িকা পরীমনিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার চার্জ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান।
এ দিন মামলাটির চার্জগঠনের বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ ছিল। এ জন্য পরীমনির পক্ষে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) হাজিরা দেন। একই সঙ্গে তিনি শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।
শুনানিতে এই আইনজীবী বলেন, পরীমনি কিছুদিন আগে পায়ে আঘাত পেয়ে অসুস্থ ছিলেন। হঠাৎ পায়ে ব্যথা বেড়ে যাওয়ায় চলাফেরা করতে অসুবিধা হচ্ছে। এ কারণে আদালতে আসতে পারেননি। এ জন্য শুনানি পেছাতে প্রার্থনা করেন তিনি।
তবে এর বিরোধীতা করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসেন পরীমনির জামিন বাতিল করে অভিযোগ গঠনের আদেশ প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে পরীমনির হাজিরাও বাতিলের আবেদন করেন।
মোয়াজ্জম হোসেন বলেন, মামলাটি অভিযোগ গঠনের জন্য আছে। তবে এ আসামি কয়েক বছর ধরে আদালতে না এসে সময় প্রার্থনা করছে, যা অগ্রহনযোগ্য। তার জামিন বাতিল করে অভিযোগ গঠনের প্রার্থনা করছি।
তবে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে শুনানির পরবর্তী দিন ১৭ নভেম্বর রেখেছে।
২০২১ সালে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তার কয়েক দিন পরে ওই বছরের ৪ অগাস্ট তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মদ ও মাদক উদ্ধারের কথা জানায় র্যাব। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করা হয়। এক মাস কারাগারে থাকার পর মুক্তি পান পরীমনি।
ওই বছরের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা আসামি পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি পরীমনিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ হয়। মামলার অপর দুই আসামি হলেন, পরীমনির ম্যানেজার আশরাফুল ইসলাম দিপু এবং পরীমনির খালু কবীর হোসেন হাওলাদার।
মামলার বাদী র্যাব-১ এর কর্মকর্তা মজিবর রহমান আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন। তবে অভিযোগ গঠনের পর ওই মামলা বাতিল চেয়ে পরীমনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। ২০২২ সালের ১ মার্চ হাইকোর্ট রুল দিয়ে মামলার কার্যক্রম পরীমনির ক্ষেত্রে তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে মামলাটি উচ্চ আদালতে পুনরায় অভিযোগ গঠনের আদেশ আসে।











