হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য
- Update Time : 05:08:48 am, Tuesday, 22 September 2026
- / 18 Time View
ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করবে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরএএফ ভয়েজার ট্যাংকার বিমান মোতায়েন করে এই সহায়তা শুরু হবে।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে সামরিক সহায়তার অনুরোধ পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের পরামর্শে তিনি ওই অনুরোধে সম্মতি দেন।
সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা দিতে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সকে (আরএএফ) অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সহায়তা দেওয়া হবে এবং প্রাথমিকভাবে এর মেয়াদ কয়েক সপ্তাহের জন্য হতে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে গৃহযুদ্ধে জড়িত হুথিরা। ওই সরকারকে সমর্থন করে সৌদি আরব। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুথিরা দাবি করেছে যে তারা সৌদির রাজধানী রিয়াদে এবং দেশটির লোহিত সাগর উপকূলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, আমি ব্রিটেন ও বৃহত্তর অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছি। কারণ সৌদি আরব হামলার শিকার হচ্ছে, সামনে আরও অস্থিরতার আশঙ্কা রয়েছে। আমাদের তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলো খোলা রাখতে হবে।
এদিকে ইয়েমেনে আবারও সংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে হুথিরা। গত শনিবার রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়। যদিও সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটি ঠেকিয়ে দেয়।
এএফপির এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, আরামকোর একটি পুড়ে যাওয়া জ্বালানি ট্যাংকের আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে দমকলকর্মীদের দেখা গেছে।
সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৭৯৬ ছাড়িয়েছে বলে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
এসকাগজ/আরডি














