কানাডাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব, ট্রাম্পের হুমকি
- Update Time : 01:00:11 pm, Thursday, 17 September 2026
- / 13 Time View
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার মুখে নিজেদের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। কানাডাকে জোটের প্রথম ‘সহযোগী সদস্য’ বা অ্যাসোসিয়েট মেম্বার করার প্রস্তাব দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।
তবে এই ঘোষণার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইইউ-কানাডা চুক্তিকে ‘শত্রুতাপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে গণ্য করা হলে ইউরোপের ওপর ভারী শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার ফ্রান্সে দেওয়া এক ভাষণে উরসুলা ভন ডার লিয়েন জোর দিয়ে বলেন, বদলে যাওয়া বিশ্ব পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক জোটগুলোর সম্পর্ককে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া জরুরি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে পাশে রেখে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
কার্নি নিজেও একে একটি ‘অনন্য জোট’ হিসেবে বর্ণনা করে ইউরোপের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এর আগে ট্রাম্প একাধিকবার কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর তাগিদ দিলে কার্নি তা শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
ভৌগোলিক সীমানার বাধ্যবাধকতায় উত্তর আমেরিকার দেশটি ইইউর পূর্ণাঙ্গ সদস্য হতে পারবে না। তবে প্রস্তাবিত এই চুক্তির আওতায় উভয় দেশ মুক্ত বাণিজ্য জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তি অবকাঠামো নির্মাণ এবং সমরাস্ত্র ও তথ্যপ্রযুক্তিতে একযোগে কাজ করবে।
এ ছাড়া ইউরোপের জ্বালানি ও জরুরি খনিজ পদার্থের চাহিদা মেটাতে কানাডা গ্যাস ও ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহৃত খনিজ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। এমনকি কানাডিয়ানদের জন্য ইউরোপে ভিসা-মুক্ত বসবাসের সুযোগ তৈরি নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে।
কিন্তু নতুন এই অর্থনৈতিক ও কৌশলগত জোটের খবর আসতেই চটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ঘটনাটিকে ‘হাস্যকর’ ও ‘শত্রুতাপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই চুক্তির উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর আরো ভয়াবহ শুল্ক চাপানো হবে।








