জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে রফিকুল ইসলাম জামালের শ্রদ্ধা
- Update Time : 12:50:25 pm, Saturday, 12 September 2026
- / 12 Time View
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সদ্য দায়িত্ব পাওয়া ধর্মমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে গিয়ে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় ঝালকাঠি-১ আসনের রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নুও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলীয় ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন রফিকুল ইসলাম জামাল।
স্থানীয় পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো জোরদার, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে সক্রিয়ভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, বর্তমান সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানি চালু করেছে। ইমাম, মুয়াজ্জিনদের জন্য মাসিক সম্মানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার মতে, এর মধ্যদিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তারা ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে ভূমিকা রাখেন। তাদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি দীর্ঘদিন উপেক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকার তাদের সম্মানীর ব্যবস্থা করে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, অতীতে কোনো সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য এভাবে সরকারি সম্মানির ব্যবস্থা করেনি।
বর্তমান সরকার শুধু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য নয়, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সামাজিক সুরক্ষা শুধু ভাতা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়- দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচির আওতা ও সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানির বিষয়ে সরকারের উদ্যোগকে তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই সম্মানি তাদের দায়িত্ব পালনে কিছুটা হলেও সহায়তা করবে। একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে।