Dhaka 10:26 pm, Tuesday, 8 September 2026
সর্বশেষ
আপিল বিভাগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, এজলাস ছাড়লেন পাঁচ বিচারক কালই অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন, ফাঁস হলো দাম-ফিচারের তথ্য সব মাদরাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : সংসদে শিক্ষামন্ত্রী জোড়া খুনের মামলায় কারাগারে ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদ বাড়ল একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময় নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও মার্কিন ব্যাংকে ইরানের ৯০০ কোটি ডলার কক্সবাজারে দেড় লাখ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক ট্রেন চালুর বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ ইতিবাচক : সড়কমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে ভারতের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জোড়া খুনের মামলায় কারাগারে ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:41:36 pm, Tuesday, 8 September 2026
  • / 6 Time View

কিশোরগঞ্জে জোড়া খুনের মামলায় সাজা কমিয়ে নুর মুহাম্মদকে (১০৪) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর আগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল বিচারিক আদালত।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আত্মসমর্পণের পর নুর মুহাম্মদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাটি করেছিলেন দোকানের মালিক মো. ফেরদৌস। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জের পপুলার স্টোরে জুয়েলারি দোকান পরিচালনা করতেন শহীদ মিয়া, শামসুদ্দীন ও ফেরদৌস।

এই দোকানে ছিল আটজন কর্মী। 

২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাত ১টা পর্যন্ত ঈদের বিক্রি করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও দোকানের সিন্দুকে ১১০ ভরি স্বর্ণ রেখে চলে যান তারা। তবে রাতে দোকানে ছিলেন মোশাররফ হোসেন ও আ. কবির। ওই রাতে দোকানে ঢুকে টাকা ও স্বর্ণ ডাকাতি করা হয়।

বাধা দিলে দোকানে থাকা মোশাররফ ও কবিরকে হত্যা করে টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। 

মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কিশোরগঞ্জ থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ পাঠানো হয়। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর তৎকালীন বিচারক মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মামলার রায় ঘোষণা করেন। 

রায়ে আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি আসামি জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। মামলার বিচার চলাকালে মারা যান আসামি হারিছ মিয়া। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট আসামি আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। আর আসামি নুর মোহাম্মদের ১০ বছরের সাজা হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জোড়া খুনের মামলায় কারাগারে ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদ

Update Time : 01:41:36 pm, Tuesday, 8 September 2026

কিশোরগঞ্জে জোড়া খুনের মামলায় সাজা কমিয়ে নুর মুহাম্মদকে (১০৪) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর আগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল বিচারিক আদালত।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আত্মসমর্পণের পর নুর মুহাম্মদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাটি করেছিলেন দোকানের মালিক মো. ফেরদৌস। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জের পপুলার স্টোরে জুয়েলারি দোকান পরিচালনা করতেন শহীদ মিয়া, শামসুদ্দীন ও ফেরদৌস।

এই দোকানে ছিল আটজন কর্মী। 

২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাত ১টা পর্যন্ত ঈদের বিক্রি করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও দোকানের সিন্দুকে ১১০ ভরি স্বর্ণ রেখে চলে যান তারা। তবে রাতে দোকানে ছিলেন মোশাররফ হোসেন ও আ. কবির। ওই রাতে দোকানে ঢুকে টাকা ও স্বর্ণ ডাকাতি করা হয়।

বাধা দিলে দোকানে থাকা মোশাররফ ও কবিরকে হত্যা করে টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। 

মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কিশোরগঞ্জ থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ পাঠানো হয়। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর তৎকালীন বিচারক মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মামলার রায় ঘোষণা করেন। 

রায়ে আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি আসামি জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। মামলার বিচার চলাকালে মারা যান আসামি হারিছ মিয়া। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট আসামি আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। আর আসামি নুর মোহাম্মদের ১০ বছরের সাজা হয়।