ঢাকায় ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশ, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী : শাহে আলম
- Update Time : 12:43:47 pm, Tuesday, 13 October 2026
- / 2 Time View
আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ। স্থানীয় সরকার বিভাগের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠেয় এই মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।
এই মহাসমাবেশ সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসে এই প্রথম সরকারি উদ্যোগে সারা দেশের প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশকে সম্মান জানাতে ও তাদের কথা সরাসরি শুনতে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। ইতিপূর্বে গ্রাম পুলিশেরা নিজস্ব অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বিভিন্ন দাবিদাওয়া উত্থাপন করলেও এবার প্রধানমন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কর্মীদের মতামত ও দাবিদাওয়া শুনতে চান।
তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ আইনি কাঠামোর অধীন একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা। তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং আইনি ক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের উপপরিচালকদের (ডিডিএলজি) আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রস্তাবনা পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে একটি সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং পরবর্তীতে সমাবেশে তা ঘোষণা করা হতে পারে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করা হবে না।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মীর শাহে আলম বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ যেন গ্রামে গ্রামে একটি আনন্দময় ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে সরকার। এই নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কলঙ্কের দায় সরকার নেবে না বলে জানান তিনি।
দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত ও সচেতনতা বৃদ্ধি। এ লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ম্যাসিভ পরিসরে মাইকিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের সমন্বিত অভিযান শুরু হচ্ছে।









