Dhaka 12:05 am, Sunday, 11 October 2026
সর্বশেষ
দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডিমন্ত্রী নিখোঁজের ৫ দিন পর কলাবাগানে মিলল অটোভ্যান চালকের মরদেহ যে কারণে শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের জরুরি অবতরণ বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা স্টারলিংকে প্রথম মাস ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে সাবেক এমপি ও রাষ্ট্রদূত ব্যারিস্টার মুন্তাকিম চৌধুরী মারা গেছেন পে স্কেলে বড় অগ্রগতি, যুক্ত হচ্ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে কেন ‘গাঁজাখোর’ বললেন রাশেদ খান ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যাধুনিক হাসপাতাল হবে সিটি হাসপাতাল : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 12:42:41 pm, Thursday, 8 October 2026
  • / 11 Time View

অভিবাসী এবং প্রত্যাগত নাগরিকেরা যেন সম্মানের সঙ্গে দেশে নতুন করে জীবন সাজাতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ একটি যৌথ কর্মসূচি চালু করেছে।

৩০ মাসের এই কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং জাতিসংঘের নারীবিষয়ক সংস্থা (ইউএন ওমেন) কাজ করবে।

কর্মসূচির আওতায় প্রত্যাগত বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা দেওয়া হবে। 

বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা নারী ও শিশু এবং সংকটের কারণে দেশে ফিরতে বাধ্য হওয়া অভিবাসীদের।

জাতিসংঘের মাইগ্রেশন মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের (মাইগ্রেশন এমপিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রত্যাগত অভিবাসীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা জোরদার করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্মসূচিটির নেতৃত্বদানকারী সরকারি মন্ত্রণালয় হিসেবে কাজ করবে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ। অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান এ. কে. এম. সোহেল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: সাইফুল হক চৌধুরী, জাতিসংঘ উইংয়ের যুগ্মসচিব ড. কাজী শাহজাহান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আইওএম, আইএলও, ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ এবং ইউএন ওমেন ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ বলেন, ‘অভিবাসন কোন একমুখী প্রক্রিয়া নয়। তাই দেশে ফেরা অভিবাসীরা যেন প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা পেয়ে দাঁড়াতে পারেন তা নিশ্চিত করা জরুরী।

টেকসই পুনঃএকত্রীকরণ নিশ্চিত করতে ব্যক্তি, পরিবার ও কাঠামোগত পর্যায়ে সহায়তা জোরদার করা প্রয়োজন। এই যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো তাদের সম্মিলিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে একটি সমন্বিত ও অভিবাসীকেন্দ্রিক পুনঃএকত্রীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’ 

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘দেশে প্রত্যাগত অভিবাসী ও তাদের পরিবারের এমন সেবা, সুযোগ এবং সহায়তা প্রয়োজন, যা তাদের নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে এবং নিজ নিজ সমাজে অবদান রাখতে সহায়তা করবে। সরকার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সহায়তা আরো শক্তিশালী করতে এই অংশীদারত্ব সহায়তা করবে।’

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি নারী। দেশে ফিরে অনেকেই চাকরি বা আয় করার সুযোগ, প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া এবং বিদেশে থাকার সময়ের নানা মানসিক চাপ মোকাবিলায় সমস্যায় পড়েন। 

বিশেষ করে আকস্মিকভাবে বা কোনো সংকটের কারণে দেশে ফিরতে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিদের এসব সমস্যা বেশি হয়।কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জেন্ডার-সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা প্রত্যাগত অভিবাসীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত করতে সহায়তা দেওয়া হবে।

ব্যক্তিভিত্তিক পুনঃএকত্রীকরণ পরিকল্পনা তৈরি, সেবা প্রদানকারীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরির মতো উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

এ ছাড়া আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রম, বৈষম্যমূলক সামাজিক রীতিনীতি মোকাবিলা এবং জেলা পর্যায়ে সমন্বয় বাড়ানোর মতো উদ্যোগও পরীক্ষামূলকভাবে নেওয়া হবে।এই কর্মসূচি প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনঃএকত্রীকরণ বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

একই সঙ্গে এটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য বৈশ্বিক চুক্তির (জিসিএম) ২১ নম্বর উদ্দেশ্য, অর্থাৎ মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন ও টেকসই পুনঃএকত্রীকরণে অবদান রাখবে। কর্মসূচিটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ২০৩০ এজেন্ডা বিশেষ করে জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন (লক্ষ্য-৫), উৎপাদনশীল কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (লক্ষ্য-৮) এবং বৈষম্য কমানো (লক্ষ্য-১০) লক্ষ্যগুলোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগ

Update Time : 12:42:41 pm, Thursday, 8 October 2026

অভিবাসী এবং প্রত্যাগত নাগরিকেরা যেন সম্মানের সঙ্গে দেশে নতুন করে জীবন সাজাতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ একটি যৌথ কর্মসূচি চালু করেছে।

৩০ মাসের এই কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং জাতিসংঘের নারীবিষয়ক সংস্থা (ইউএন ওমেন) কাজ করবে।

কর্মসূচির আওতায় প্রত্যাগত বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা দেওয়া হবে। 

বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা নারী ও শিশু এবং সংকটের কারণে দেশে ফিরতে বাধ্য হওয়া অভিবাসীদের।

জাতিসংঘের মাইগ্রেশন মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের (মাইগ্রেশন এমপিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রত্যাগত অভিবাসীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহায়তা জোরদার করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্মসূচিটির নেতৃত্বদানকারী সরকারি মন্ত্রণালয় হিসেবে কাজ করবে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ। অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান এ. কে. এম. সোহেল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: সাইফুল হক চৌধুরী, জাতিসংঘ উইংয়ের যুগ্মসচিব ড. কাজী শাহজাহান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, আইওএম, আইএলও, ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ এবং ইউএন ওমেন ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ বলেন, ‘অভিবাসন কোন একমুখী প্রক্রিয়া নয়। তাই দেশে ফেরা অভিবাসীরা যেন প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা পেয়ে দাঁড়াতে পারেন তা নিশ্চিত করা জরুরী।

টেকসই পুনঃএকত্রীকরণ নিশ্চিত করতে ব্যক্তি, পরিবার ও কাঠামোগত পর্যায়ে সহায়তা জোরদার করা প্রয়োজন। এই যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো তাদের সম্মিলিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে একটি সমন্বিত ও অভিবাসীকেন্দ্রিক পুনঃএকত্রীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’ 

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘দেশে প্রত্যাগত অভিবাসী ও তাদের পরিবারের এমন সেবা, সুযোগ এবং সহায়তা প্রয়োজন, যা তাদের নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে এবং নিজ নিজ সমাজে অবদান রাখতে সহায়তা করবে। সরকার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই সহায়তা আরো শক্তিশালী করতে এই অংশীদারত্ব সহায়তা করবে।’

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি নারী। দেশে ফিরে অনেকেই চাকরি বা আয় করার সুযোগ, প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া এবং বিদেশে থাকার সময়ের নানা মানসিক চাপ মোকাবিলায় সমস্যায় পড়েন। 

বিশেষ করে আকস্মিকভাবে বা কোনো সংকটের কারণে দেশে ফিরতে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিদের এসব সমস্যা বেশি হয়।কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জেন্ডার-সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা প্রত্যাগত অভিবাসীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত করতে সহায়তা দেওয়া হবে।

ব্যক্তিভিত্তিক পুনঃএকত্রীকরণ পরিকল্পনা তৈরি, সেবা প্রদানকারীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরির মতো উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

এ ছাড়া আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রম, বৈষম্যমূলক সামাজিক রীতিনীতি মোকাবিলা এবং জেলা পর্যায়ে সমন্বয় বাড়ানোর মতো উদ্যোগও পরীক্ষামূলকভাবে নেওয়া হবে।এই কর্মসূচি প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনঃএকত্রীকরণ বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

একই সঙ্গে এটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য বৈশ্বিক চুক্তির (জিসিএম) ২১ নম্বর উদ্দেশ্য, অর্থাৎ মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন ও টেকসই পুনঃএকত্রীকরণে অবদান রাখবে। কর্মসূচিটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ২০৩০ এজেন্ডা বিশেষ করে জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন (লক্ষ্য-৫), উৎপাদনশীল কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (লক্ষ্য-৮) এবং বৈষম্য কমানো (লক্ষ্য-১০) লক্ষ্যগুলোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।