তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ গিনেস বুকে উঠবে
- Update Time : 08:09:33 am, Tuesday, 22 September 2026
- / 5 Time View
জাতিসংঘের অধিবেশনে বাবা, মা ও সন্তানের বক্তব্য দেওয়ার কোনো নজির নেই বলে দাবি করেছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণের পর এ ঘটনা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়ার মতো।
নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে গুগল, চ্যাটজিপিটিসহ ১৭টি এআই প্ল্যাটফর্মে সার্চ করে দেখেছি। তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণের পর আমার মনে হয়েছে, এই ঘটনা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়ার মতো। কারণ আজ পর্যন্ত বাবা, মা ও সন্তান—তিন প্রজন্মের কেউ জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন বলে আমি খুঁজে পাইনি।’
এ সময় তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় তারা গর্বিত এবং আনন্দিত।
তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে নেতাকর্মীরা স্লোগানে মুখরিত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার দাবি, বাংলাদেশের কিছু ‘অপশক্তি, দুষ্কৃতকারী ও পলায়নকারী’ ব্যক্তি নিউইয়র্কে তাদের বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের কথা বলেছিল। তবে তারা কোনো কিছু করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘শহীদ জিয়ার সৈনিকরা, আমাদের মাতৃতুল্য বেগম জিয়ার সন্তানরা এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের কর্মীরা—একজনও জীবিত থাকতে আমার নেতার ওপর হামলা করার দুঃসাহস করলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’
তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যোগ দিতে আসছেন। এ উপলক্ষে নিউইয়র্কে সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে এবং তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।
এ সময় তিনি দাবি করেন, ‘পতিত, পলাতক খুনি হাসিনার কিছু দোসর’ তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়েছে। তাদের প্রতিহত করার জন্যই তারা সেখানে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছেন।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বাংলাদেশের জন্য আরো একটি ‘ইতিহাস’ তৈরি হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তার তিনি বলেন, বাবা, মা ও সন্তান একই অধিবেশনে পারিবারিক ধারাবাহিকতায় বক্তব্য দিচ্ছেন।
এ ছাড়া ৪০ বছর পর বাংলাদেশ ১৯৩টি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সভাপতিত্বের আসন গ্রহণ করছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের এই সাফল্যের জন্য দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকেও সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।







