ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্রে ঐকমত্য
- Update Time : 01:17:06 pm, Saturday, 12 September 2026
- / 7 Time View
ভারতের সভাপতিত্বে চলমান ব্রিকস সম্মেলনে যৌথ ঘোষণা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৪টায় ‘ব্রিকস নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হবে। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সংঘাত নিরসনে ‘সংলাপ ও কূটনীতিই এগিয়ে যাওয়ার পথ’—এ বিষয়টিও ঘোষণায় গুরুত্ব পাবে।
এদিকে যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্যে পৌঁছানোকে ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনের আগে কয়েক দিন ধরে ব্রিকসের শেরপারা সদস্যদেশগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে যৌথ ঘোষণার ভাষা চূড়ান্ত করতে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতপার্থক্যই ঐকমত্যের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এর আগে চলতি বছরের মে মাসে নয়াদিল্লিতে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেও দুই দেশের মতপার্থক্যের কারণে যৌথ ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবারের সম্মেলনে ঐকমত্যে পৌঁছানো ভারতের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও কৌশলগত অবস্থানের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
শনিবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ সদস্য দেশগুলোর নেতারা। ৭ বছর পর শনিবার ভারতে পৌঁছেছেন শি চিনপিং। সম্মেলনের ফাঁকে সন্ধ্যায় শির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে মোদির।
এর আগে গতকাল শুক্রবার পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন মোদি। পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে ভারত-ইরান সম্পর্কের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি গুরুত্ব পায়।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানে ভারত বরাবরই ‘সংলাপ ও কূটনীতিকে’ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে সরবরাহবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
