Dhaka 9:32 pm, Friday, 11 September 2026
সর্বশেষ
ব্যবসায়ীর মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধারের মামলায় বন্ধুর দায় স্বীকার হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ ফেলে পালানোর চেষ্টা, স্বামী আটক নারী কণ্ঠে ‘আকামা নবায়ন’ ফাঁদে ফেলতেন তারা আগামী বছর পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : পানিসম্পদমন্ত্রী ‘শিক্ষার অধিকার ফিরে চাই’ ব্যানারে জবি ছাত্রলীগের মিছিল ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, সিদ্ধান্ত শিগগিরই ড্রোন হামলার পর মিয়ানমারের মান্দালয়ে বিমানবন্দর বন্ধ রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ শনিবার ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ফেরাতে জামায়াত অপচেষ্টা চালাচ্ছে

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চায় ১৮ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 02:24:10 pm, Thursday, 10 September 2026
  • / 2 Time View

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিতে অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদা পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত জানতে বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই মতামতের ভিত্তিতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রপ্তানির অনুমতি চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ; চট্টগ্রামের জেমস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস; যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ; ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন; বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ; ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ; এবং সাতক্ষীরার এমএ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্স।

এদিকে এবার স্বল্প সময়ের পরিবর্তে অন্তত দুই মাস, সম্ভব হলে সারা বছর ইলিশ রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন রপ্তানিকারকরা।

তাদের দাবি, ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন। 

দুর্গাপূজা সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যে অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে অনেক কম।

২০২৫ সালে ২ হাজার ৪২০ টন রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও রপ্তানি হয় মাত্র ৫৭৭ টন। এর আগে ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টনের বিপরীতে ১ হাজার ২০০ টন এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টনের বিপরীতে ১ হাজার ৩০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল। 

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান বলেন, ভারতের মাছ ব্যবসায়ীদের চিঠির পর বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আবেদন করেছেন। কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে সেটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চায় ১৮ প্রতিষ্ঠান

Update Time : 02:24:10 pm, Thursday, 10 September 2026

ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিতে অনুরোধ জানিয়েছে ভারতের মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রপ্তানিকারকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদা পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত জানতে বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই মতামতের ভিত্তিতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রপ্তানির অনুমতি চাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ; চট্টগ্রামের জেমস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস; যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ; ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন; বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ; ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ; এবং সাতক্ষীরার এমএ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্স।

এদিকে এবার স্বল্প সময়ের পরিবর্তে অন্তত দুই মাস, সম্ভব হলে সারা বছর ইলিশ রপ্তানির সুযোগ চেয়েছেন রপ্তানিকারকরা।

তাদের দাবি, ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন। 

দুর্গাপূজা সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝির মধ্যে অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে অনেক কম।

২০২৫ সালে ২ হাজার ৪২০ টন রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও রপ্তানি হয় মাত্র ৫৭৭ টন। এর আগে ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টনের বিপরীতে ১ হাজার ২০০ টন এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টনের বিপরীতে ১ হাজার ৩০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল। 

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান বলেন, ভারতের মাছ ব্যবসায়ীদের চিঠির পর বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আবেদন করেছেন। কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে সেটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।