Dhaka 9:47 pm, Thursday, 10 September 2026
সর্বশেষ
গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার উদ্ধার, ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা ‘মাননীয়’ সম্বোধন পরিহারের সিদ্ধান্ত নিজ দপ্তর থেকেই বাস্তবায়ন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে : স্পিকার দেশে মোট শ্রমশক্তি ৭ কোটি ১৭ লাখ : পরিকল্পনামন্ত্রী জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে : স্পিকার দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খেলতে চায় নেপাল চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যাচ্ছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার উদ্ধার, ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 03:36:25 pm, Thursday, 10 September 2026
  • / 1 Time View

দিনাজপুরের খানসামায় এক ডিলারের গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডিলার মোজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোচাগঞ্জ উপজেলার পাকেরহাট এলাকায় ‘মেসার্স রনি ট্রেডার্স’ নামের ওই ডিলারের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

জানা যায়, ‘মেসার্স রনি ট্রেডার্স’-এর মালিক মোজাহারুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) নিবন্ধিত সার ডিলার। তার গুদামে নিয়ম না মেনে অনুমোদনের অতিরিক্ত সার মজুদ করে রাখা হয়েছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে যৌথভাবে এ অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে গুদামে থাকা সার গণনা করে মোট ৯২০ বস্তা পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৬০ বস্তা এমওপি ও ৬৬০ বস্তা ডিএপি সার রয়েছে।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান সরকার এবং জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার। 

অভিযান শেষে ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দ করা সার প্রচলিত নিয়ম ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষকদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার জানান, সার মজুদ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে ডিলারদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে নির্দেশনা অমান্য করে অনুমোদনের অতিরিক্ত সার মজুত রাখার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার উদ্ধার, ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : 03:36:25 pm, Thursday, 10 September 2026

দিনাজপুরের খানসামায় এক ডিলারের গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডিলার মোজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোচাগঞ্জ উপজেলার পাকেরহাট এলাকায় ‘মেসার্স রনি ট্রেডার্স’ নামের ওই ডিলারের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

জানা যায়, ‘মেসার্স রনি ট্রেডার্স’-এর মালিক মোজাহারুল ইসলাম বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) নিবন্ধিত সার ডিলার। তার গুদামে নিয়ম না মেনে অনুমোদনের অতিরিক্ত সার মজুদ করে রাখা হয়েছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে যৌথভাবে এ অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে গুদামে থাকা সার গণনা করে মোট ৯২০ বস্তা পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৬০ বস্তা এমওপি ও ৬৬০ বস্তা ডিএপি সার রয়েছে।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জামান সরকার এবং জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার। 

অভিযান শেষে ইউএনও কামরুজ্জামান সরকার বলেন, ডিলারদের গুদাম ও বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দ করা সার প্রচলিত নিয়ম ও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষকদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার জানান, সার মজুদ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে ডিলারদের একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে নির্দেশনা অমান্য করে অনুমোদনের অতিরিক্ত সার মজুত রাখার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।