Dhaka 4:21 pm, Tuesday, 8 September 2026
সর্বশেষ
বেদেপল্লির ৪০ পরিবারকে খাসজমি, ২৫ জনকে সেলাই মেশিন দিল জেলা প্রশাসন মালয়েশিয়ায় বাণিজ্য বাড়াতে নতুন খাতে সহযোগিতার ওপর জোর বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর : বিমানমন্ত্রী ‘মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছি!’—বরখাস্ত হওয়ার পর বাংলাদেশ কোচের বিস্ফোরক দাবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ৪১ বছর ধরে পরিত্যক্ত ভবনে আদালতের কার্যক্রম অস্ত্রের সন্ধান দিলে মিলবে পুরস্কার, গোপন থাকবে পরিচয় আপিল বিভাগে উচ্চবাচ্য : এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদল সভাপতির নিন্দা ইউএনও কার্যালয়ে হাসিমুখে ঘুষ গ্রহণ, সেই নারী কর্মকর্তার বদলি

বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর : বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 08:31:42 am, Tuesday, 8 September 2026
  • / 4 Time View

আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে থার্ড টার্মিনাল চালুর ঘোষণা দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, শুরুতে এক-দুটি ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু করা হবে।

পরে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে থার্ড টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনাইদ সাকি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবেই হোক আমরা ১৬ ডিসেম্বর এটা ওপেন করতে চাই।

টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন মেশিন ও সিস্টেমের টেস্ট-ট্রায়াল প্রতিদিন চলছে। বর্তমানে কাজের অগ্রগতি প্রায় ৫৭ শতাংশ। ইন্টারনেট, মেশিন এবং বিভিন্ন সিস্টেমের ইন্টিগ্রেশনসহ যেসব কাজ বাকি রয়েছে, সেগুলো দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ 

তিনি জানান, থার্ড টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে বিমানবন্দরের সক্ষমতা আগের তুলনায় প্রায় চার গুণ বাড়বে।

টার্মিনালটি সর্বোচ্চ ২৫০টি এয়ারক্রাফট হ্যান্ডেল করতে পারবে। পর্যাপ্ত জায়গা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ব্যবহার করে এই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে। 

টার্মিনাল পরিচালনা থেকে বাংলাদেশের রাজস্ব অংশও বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলাদেশের রাজস্ব অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে। এখনো প্রায় ৯০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 থার্ড টার্মিনাল চালুর ফলে আগামী বছর থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিমানবন্দরে নেমেই যেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সক্ষমতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পান, সেভাবেই টার্মিনালটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ ব্যয় করে শুধু নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন নেই। সরকারের কাছে এ মুহূর্তে মূল গুরুত্ব হলো থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালু করা এবং এর সেবার মান নিশ্চিত করা। নাম পরিবর্তন নয়, আমরা থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিক কার্যক্রম শুরুর পর ধাপে ধাপে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে টার্মিনালের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর : বিমানমন্ত্রী

Update Time : 08:31:42 am, Tuesday, 8 September 2026

আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিকভাবে থার্ড টার্মিনাল চালুর ঘোষণা দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, শুরুতে এক-দুটি ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু করা হবে।

পরে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে থার্ড টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনাইদ সাকি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবেই হোক আমরা ১৬ ডিসেম্বর এটা ওপেন করতে চাই।

টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন মেশিন ও সিস্টেমের টেস্ট-ট্রায়াল প্রতিদিন চলছে। বর্তমানে কাজের অগ্রগতি প্রায় ৫৭ শতাংশ। ইন্টারনেট, মেশিন এবং বিভিন্ন সিস্টেমের ইন্টিগ্রেশনসহ যেসব কাজ বাকি রয়েছে, সেগুলো দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ 

তিনি জানান, থার্ড টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে বিমানবন্দরের সক্ষমতা আগের তুলনায় প্রায় চার গুণ বাড়বে।

টার্মিনালটি সর্বোচ্চ ২৫০টি এয়ারক্রাফট হ্যান্ডেল করতে পারবে। পর্যাপ্ত জায়গা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ব্যবহার করে এই সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে। 

টার্মিনাল পরিচালনা থেকে বাংলাদেশের রাজস্ব অংশও বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলাদেশের রাজস্ব অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হয়েছে। এখনো প্রায় ৯০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

 থার্ড টার্মিনাল চালুর ফলে আগামী বছর থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিমানবন্দরে নেমেই যেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের সক্ষমতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পান, সেভাবেই টার্মিনালটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ ব্যয় করে শুধু নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন নেই। সরকারের কাছে এ মুহূর্তে মূল গুরুত্ব হলো থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালু করা এবং এর সেবার মান নিশ্চিত করা। নাম পরিবর্তন নয়, আমরা থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৬ ডিসেম্বর আংশিক কার্যক্রম শুরুর পর ধাপে ধাপে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে টার্মিনালের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।