আমরা অর্থনীতির নতুন মডেলে কাজ শুরু করেছি : অর্থমন্ত্রী
- Update Time : 12:26:50 am, Saturday, 5 September 2026
- / 2 Time View
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। জনগণের সব মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর, কিন্তু শুধু সরকার একা এটা করতে পারে না, এ জন্য পার্টনারশিপটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা অর্থনীতির নতুন মডেলে কাজ শুরু করেছি, যেখানে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত হবে।’ তিনি জানান, পানির পাশাপাশি বর্ষাকালে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যা নিরসনে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের হোটেল র্যাডিসন ব্লুর একটি হলরুমে শহরের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানির সেবার মান বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিন বছর মেয়াদি এই এমওইউর আওতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে।
নেদারল্যান্ডস দূতাবাস এতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আমির খসরু এবং নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইয়ান ভ্যান ডার লিন্ডেনের উপস্থিতিতে এমওইউতে সই করেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজের এমডি ইয়ামিন ফারুক।
ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসন ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত একটি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
গতকাল চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগের বাসভবনে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ও সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল হাসান মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধিদলের নেতারা মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট কমাতে বিকল্প সড়ক হিসেবে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলীয় বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে ‘মেরিন ড্রাইভ’ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশের বড়দারোগারহাট থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের দাবিও জানান।