‘আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে সহযোগিতা করবে র্যাব’
- Update Time : 02:22:41 pm, Wednesday, 2 September 2026
- / 3 Time View
সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় দস্যুতার পথ ছেড়ে আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) র্যাব-৬ সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
র্যাব ডিজি বলেন, দস্যুতার পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ক্ষেত্রে র্যাব সহযোগিতা করবে। তবে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যাব ডিজি বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তায় র্যাবের ‘জিরো টলারেন্স’-নীতি অব্যাহত থাকবে।
তিনি জানান, ২০১৮ সালে ৩২৮ জন বনদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন পরবর্তী সময়ে আবারও দস্যুতায় জড়িয়ে পড়েন। ভবিষ্যতে আত্মসমর্পণকারীরা যেন পুনরায় অপরাধে না ফেরেন, সে জন্য তাদের পাশে দাঁড়াতে সামাজিকভাবে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ৩১ আগস্ট পাঁচটি সক্রিয় জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। একই সময়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে র্যাব।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন রয়েছেন।
এ ছাড়া সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তিন দিনের অভিযানে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১৪টি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব বলছে, আত্মসমর্পণের ঘটনায় সুন্দরবনে সক্রিয় কয়েকটি দস্যু বাহিনীর সাংগঠনিক সক্ষমতা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখার পাশাপাশি বনজীবী ও উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
