Dhaka 3:23 pm, Wednesday, 4 November 2026
সর্বশেষ
বিশ্ববিদ্যালয় হোক মুক্তচিন্তার জায়গা, রাজনৈতিক প্রতিশোধের নয়: এইচআরডব্লিউ বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে প্রতিভা অন্বেষণের মঞ্চ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ অপহরণের পর বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, চট্টগ্রামে যুবক গ্রেপ্তার ঢাকায় ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে এআই বিজনেস সামিট ওয়াই আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি থেকে ম্যানিলা, আটলান্টা—২০২৬ সালে নতুন গতি পেয়েছে কোয়াড বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ, সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ার প্রস্তাব হাতি-গাধার মধ্যবর্তী লড়াইয়ে যেভাবে পাল্টাতে পারে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি বাইন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলা, চুরি ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার ছবি অপসারণ, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 03:21:08 pm, Friday, 28 August 2026
  • / 55 Time View

পুরাতন ছবি ও নতুন ছবি (বাঁ দিক থেকে)। সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধসংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। অপসারণ করা ছবিগুলো পুনঃস্থাপনের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার ম্যুরালাকৃতির ছবি স্থাপন করা ছিল। প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলো ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁদের।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তৎকালীন ইউএনও বদলি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারাও এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার ছবি ছিল। কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ছবিগুলো অপসারণ করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

এ ঘটনায় মাধবপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর পোস্টে জাতীয় চার নেতার ছবি অপসারণের সমালোচনা করে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তাঁদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার ছবি অপসারণ, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ

Update Time : 03:21:08 pm, Friday, 28 August 2026

পুরাতন ছবি ও নতুন ছবি (বাঁ দিক থেকে)। সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধসংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। অপসারণ করা ছবিগুলো পুনঃস্থাপনের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার ম্যুরালাকৃতির ছবি স্থাপন করা ছিল। প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলো ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁদের।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তৎকালীন ইউএনও বদলি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারাও এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার ছবি ছিল। কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ছবিগুলো অপসারণ করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

এ ঘটনায় মাধবপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর পোস্টে জাতীয় চার নেতার ছবি অপসারণের সমালোচনা করে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তাঁদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।