Dhaka 8:11 am, Wednesday, 10 December 2025
সর্বশেষ
‘আমি মেসি হতে চাই না’ খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল, নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা চলছে তারেক রহমান ভোটার হননি, আবেদন সাপেক্ষে ভোট দিতে ও প্রার্থী হতে পারবেন : ইসি সচিব খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের: মাহদী আমিন খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় ড্র অনুষ্ঠানে থাকছে না ইরান বিপিএলের নিলাম : দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কে কোন ক্যাটাগরিতে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি দুই দিনে শেষ টেস্ট, উইকেটকে ‘খুব ভালো’ বললো আইসিসি নোয়াখালীতেই চূড়ান্ত পর্ব

বড় ব্যবধানে হারিয়ে ভারতকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

স্পোর্টস ডেস্ক :
  • Update Time : 08:50:50 am, Wednesday, 26 November 2025
  • / 52 Time View

পরাজয়ের সম্ভাবনা চতুর্থ দিন শেষ বিকেলেই ফুটে উঠেছিল। কিন্তু পঞ্চম দেখার বাকি ছিল বাকি শক্তি নিয়ে কতদূর লড়াই করতে পারে ভারত এবং ব্যবধান কত কমিয়ে আনতে পারে! কিন্তু না, ন্যুনত লড়াইও করতে পারেনি ভারতীয় ব্যাটাররা। অলআট হয়ে গেলো মাত্র ১৪০ রানে। যার ফলে ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করলো ভারত। সে সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ হলো ২-০ ব্যবধানে।

গুয়াহাটির যে উইকেটটি তৈরি করা হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটারদের জন্য, উল্টো সেখানে রাজত্ব করলো দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার এবং স্পিনাররা। প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়ারা তুলেছিল ৪৮৯ রান। জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে মাত্র ২০১ রানে অলআউট ভারত।

২৮৮ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে ২৬০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে ৫৪৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নামতে হয় ভারতীয়দের। এতবড় রানের দিকে তাকিয়েই হয়তো পিলে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা হয়েছে রিশাভ পান্তদের। যে কারণে নিজেদের স্পিনারদের জন্য তৈরি করা স্পিনিং ট্র্যাকে রাজত্ব করলো প্রোটিয়া স্পিানররা।

সাইমন হারমার আর কেশভ মাহারাজদের তোপের মুখে থরথর করে কেঁপেছে ভারতের তথাকথিত বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপ। এক রবিন্দ্র জাদেজা যদি ৫৪ রানের ইনিংসটি না খেলতেন, তাহলে ১০০’র আগেই অলআউট হওয়া লাগতো স্বাগতিকদের। সাইমন হারমার একাই নেন ৬ উইকেট। কেশভ মাহারাজ ২টি, সেনুরান মুথুসামি ও মার্কো ইয়ানসেন নেন ১টি করে উইকেট। অর্থ্যাৎ, ৯টি উইকেটই নিয়েছে স্পিনাররা।

একবছরের ব্যবধানে ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বার হোয়াইটওয়াশ হলো ভারত। গতবছর অক্টোবর-নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল ভারতীয় দল। ঠিক এক বছরের ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো তারা। দুইটি হোয়াইটওয়াশের ঘটনা ঘটলো গৌতম গম্ভীরের অধীনে।

ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম টেস্টে প্রোটিয়াদের বধ করার জন্য পুরোপুরি স্পিনিং ট্র্যাক বানিয়েছিল ভারত। সেই ট্র্যাকে উল্টো গর্তে পড়লো তারা। লো স্কোরিং ম্যাচ শেষ হয়েছিল আড়াই দিনে। জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে ১২৪ রানও করতে পারেনি ভারত। অলআউট হয়েছিল মাত্র ৯৩ রানে। এরপর গুয়াহাটিতে তৈরি করলো ব্যাটিং উইকেট। যেখানে রাজত্ব করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতীয় দল এখানেও ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ।

আগের দিনের ২ উইকেটে ২৭ রান নিয়ে পঞ্চম দিন ব্যাট করতে নেমেছিল ভারত। সাই সুদর্শন ও কুলদিপ যাদব দ্রুত আউট হয়ে যান। ১৪ রান করে সাই সুদর্শন। ৫ রান করেন কুলদিপ যাদব। ধ্রুব জুরেল আউট হন মাত্র ২ রান করে। অধিনায়ক রিশাভ পান্ত ১৩ রান করে ফিরে যান সাজঘরে।

প্রতিরোধ গড়ে দাঁড়ান রবিন্দ্র জাদেজা ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ৩৫ রানের জুটি গড়েন তারা। ওয়াশিংটন ১৬ রান করে আউট হন। ৫৪ রান করেন রবিন্দ্র জাদেজা। শেষ দিকে নিতিশ কুমার রেড্ডি ও মোহাম্মদ সিরাজ শূন্য রানে আউট হতেই শেষ হয়ে যায় ভারতীয়দের ব্যাটিং।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বড় ব্যবধানে হারিয়ে ভারতকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

Update Time : 08:50:50 am, Wednesday, 26 November 2025

পরাজয়ের সম্ভাবনা চতুর্থ দিন শেষ বিকেলেই ফুটে উঠেছিল। কিন্তু পঞ্চম দেখার বাকি ছিল বাকি শক্তি নিয়ে কতদূর লড়াই করতে পারে ভারত এবং ব্যবধান কত কমিয়ে আনতে পারে! কিন্তু না, ন্যুনত লড়াইও করতে পারেনি ভারতীয় ব্যাটাররা। অলআট হয়ে গেলো মাত্র ১৪০ রানে। যার ফলে ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজয় বরণ করলো ভারত। সে সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ হলো ২-০ ব্যবধানে।

গুয়াহাটির যে উইকেটটি তৈরি করা হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটারদের জন্য, উল্টো সেখানে রাজত্ব করলো দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার এবং স্পিনাররা। প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়ারা তুলেছিল ৪৮৯ রান। জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে মাত্র ২০১ রানে অলআউট ভারত।

২৮৮ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে ২৬০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে ৫৪৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নামতে হয় ভারতীয়দের। এতবড় রানের দিকে তাকিয়েই হয়তো পিলে চমকে যাওয়ার মত অবস্থা হয়েছে রিশাভ পান্তদের। যে কারণে নিজেদের স্পিনারদের জন্য তৈরি করা স্পিনিং ট্র্যাকে রাজত্ব করলো প্রোটিয়া স্পিানররা।

সাইমন হারমার আর কেশভ মাহারাজদের তোপের মুখে থরথর করে কেঁপেছে ভারতের তথাকথিত বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপ। এক রবিন্দ্র জাদেজা যদি ৫৪ রানের ইনিংসটি না খেলতেন, তাহলে ১০০’র আগেই অলআউট হওয়া লাগতো স্বাগতিকদের। সাইমন হারমার একাই নেন ৬ উইকেট। কেশভ মাহারাজ ২টি, সেনুরান মুথুসামি ও মার্কো ইয়ানসেন নেন ১টি করে উইকেট। অর্থ্যাৎ, ৯টি উইকেটই নিয়েছে স্পিনাররা।

একবছরের ব্যবধানে ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বার হোয়াইটওয়াশ হলো ভারত। গতবছর অক্টোবর-নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল ভারতীয় দল। ঠিক এক বছরের ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো তারা। দুইটি হোয়াইটওয়াশের ঘটনা ঘটলো গৌতম গম্ভীরের অধীনে।

ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম টেস্টে প্রোটিয়াদের বধ করার জন্য পুরোপুরি স্পিনিং ট্র্যাক বানিয়েছিল ভারত। সেই ট্র্যাকে উল্টো গর্তে পড়লো তারা। লো স্কোরিং ম্যাচ শেষ হয়েছিল আড়াই দিনে। জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে ১২৪ রানও করতে পারেনি ভারত। অলআউট হয়েছিল মাত্র ৯৩ রানে। এরপর গুয়াহাটিতে তৈরি করলো ব্যাটিং উইকেট। যেখানে রাজত্ব করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতীয় দল এখানেও ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ।

আগের দিনের ২ উইকেটে ২৭ রান নিয়ে পঞ্চম দিন ব্যাট করতে নেমেছিল ভারত। সাই সুদর্শন ও কুলদিপ যাদব দ্রুত আউট হয়ে যান। ১৪ রান করে সাই সুদর্শন। ৫ রান করেন কুলদিপ যাদব। ধ্রুব জুরেল আউট হন মাত্র ২ রান করে। অধিনায়ক রিশাভ পান্ত ১৩ রান করে ফিরে যান সাজঘরে।

প্রতিরোধ গড়ে দাঁড়ান রবিন্দ্র জাদেজা ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ৩৫ রানের জুটি গড়েন তারা। ওয়াশিংটন ১৬ রান করে আউট হন। ৫৪ রান করেন রবিন্দ্র জাদেজা। শেষ দিকে নিতিশ কুমার রেড্ডি ও মোহাম্মদ সিরাজ শূন্য রানে আউট হতেই শেষ হয়ে যায় ভারতীয়দের ব্যাটিং।