Dhaka 2:00 pm, Friday, 25 September 2026
সর্বশেষ
জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে এর বিকল্প অকল্পনীয় : খলিলুর রহমান শান্তি বিনির্মাণে আরো বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নারীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল সহিংসতা ঠেকানোর আহ্বান শামা ওবায়েদের সৌদিতে সেনা পাঠাবে ফ্রান্স জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ফিলিস্তিন-ইরান নিয়ে জোরালো পদক্ষেপ চান অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার শেহবাজের হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু শনিবার ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে

সাশ্রয়ী অভিবাসন ব্যবস্থা গড়তে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 04:58:53 am, Friday, 25 September 2026
  • / 4 Time View

নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও সৎ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, অভিবাসনকে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত।

বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ সব তথ্য জানিয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী আরএমএমআরইউ-এর ৩০ বছরের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী ও অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় অভিবাসীদের অবদানকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরা হয়।

সাক্ষাৎকালে অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর বিষয়ে আরএমএমআরইউ-এর গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।

আরএমএমআরইউ-এর নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। 

আরএমএমআরইউ-এর উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জন বিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাশ্রয়ী অভিবাসন ব্যবস্থা গড়তে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Update Time : 04:58:53 am, Friday, 25 September 2026

নিরপেক্ষ, সুশৃঙ্খল, সাশ্রয়ী ও সৎ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, অভিবাসনকে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত।

বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (আরএমএমআরইউ) নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ সব তথ্য জানিয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ড. তাসনিম সিদ্দিকী আরএমএমআরইউ-এর ৩০ বছরের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

তিনি জানান, শ্রম অভিবাসন, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি, শরণার্থী ও অভিবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও নীতিগত পর্যায়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় অভিবাসীদের অবদানকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে একটি ‘অভিবাসন দশক’ ঘোষণার উদ্যোগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরা হয়।

সাক্ষাৎকালে অভিবাসী কর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা এবং অভিবাসীদের ইতিবাচক অবদানকে উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর বিষয়ে আরএমএমআরইউ-এর গবেষণা ও নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ককাস গঠন এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।

আরএমএমআরইউ-এর নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। 

আরএমএমআরইউ-এর উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার, উপ-নির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ, প্রোগ্রাম পরিচালক মারিনা সুলতানা এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মাহমুদুল হাসান রকি এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও জন বিভাগের সচিব উপস্থিত ছিলেন।