Dhaka 10:20 pm, Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ

আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমবার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 03:01:22 pm, Saturday, 7 November 2026
  • / 21 Time View

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এক আন্তর্জাতিক অধ্যায়। প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ। আগামী ১৫ থেকে ২০ নভেম্বর এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বসবে এশিয়ার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের এই আন্তর্জাতিক আসর।

ছয় দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশের পাশাপাশি অংশ নেবে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। ক্রিকেটের পাশাপাশি এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের সক্ষমতা, প্রতিভা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল (বিবিসিসি) এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। সংস্থাটি ওয়ার্ল্ড ব্লাইন্ড ক্রিকেট লিমিটেডের (ডব্লিউবিসি) অধিভুক্ত। টুর্নামেন্ট সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আয়োজনের কাজ শুরু করেছে আয়োজকরা।

আন্তর্জাতিক এ আসরের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল (এসবিজি)। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি এবং তাদের প্রতিভা ও সাফল্যকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

টুর্নামেন্টের এক্সক্লুসিভ গণমাধ্যম সহযোগী হিসেবে থাকছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।

আয়োজকদের মতে, প্রতিযোগিতাটির উদ্দেশ্য শুধু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়া নয়। ক্রিকেটের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব, সমতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ আয়োজন তাই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এ আয়োজন এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে ক্রীড়া-সম্পর্ক ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমবার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ

Update Time : 03:01:22 pm, Saturday, 7 November 2026

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এক আন্তর্জাতিক অধ্যায়। প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ। আগামী ১৫ থেকে ২০ নভেম্বর এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বসবে এশিয়ার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের এই আন্তর্জাতিক আসর।

ছয় দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশের পাশাপাশি অংশ নেবে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। ক্রিকেটের পাশাপাশি এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের সক্ষমতা, প্রতিভা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্লাইন্ড ক্রিকেট কাউন্সিল (বিবিসিসি) এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। সংস্থাটি ওয়ার্ল্ড ব্লাইন্ড ক্রিকেট লিমিটেডের (ডব্লিউবিসি) অধিভুক্ত। টুর্নামেন্ট সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আয়োজনের কাজ শুরু করেছে আয়োজকরা।

আন্তর্জাতিক এ আসরের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল (এসবিজি)। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি এবং তাদের প্রতিভা ও সাফল্যকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

টুর্নামেন্টের এক্সক্লুসিভ গণমাধ্যম সহযোগী হিসেবে থাকছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।

আয়োজকদের মতে, প্রতিযোগিতাটির উদ্দেশ্য শুধু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়া নয়। ক্রিকেটের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব, সমতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ আয়োজন তাই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এ আয়োজন এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে ক্রীড়া-সম্পর্ক ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।