Dhaka 10:14 pm, Thursday, 5 November 2026
সর্বশেষ
পায়ের আঁকাবাঁকা মোটা শিরা: অবহেলা থেকে জটিলতা, চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা দেশের শিল্প ও বাণিজ্যে গতি ফেরাতে রাজধানীতে বসল এআই সামিট সৌদি আরবের এক শহরে সতর্কতা জারি তিন দিনের সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন চীনা মন্ত্রী লিউ হাইসিং আলোকস্বল্পতায় এবার সিলেট টেস্টও বন্ধ সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ কোটালীপাড়ার ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা বন্ধে জড়িতদের কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তায় পেশাদারত্বের আহ্বান আনসার মহাপরিচালকের জুলাই হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে

পায়ের আঁকাবাঁকা মোটা শিরা: অবহেলা থেকে জটিলতা, চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:08:31 pm, Thursday, 5 November 2026
  • / 13 Time View

ডা. একেএম জিয়াউল হক
সহকারী অধ্যাপক, ভাসকুলার সার্জারি বিভাগ
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, কল্যাণপুর, ঢাকা

সকালে ঘুম থেকে উঠে একজন ব্যক্তি দেখলেন, তারপায়ের বহুদিনের ফুলে থাকা আঁকাবাঁকা শিরার একটি অংশ হঠাৎ লাল, শক্ত ও খুব ব্যথাযুক্ত। স্পর্শ করলেই যন্ত্রণা। গায়ে জ্বর জ্বর ভাব। দ্রুত পরীক্ষা করে জানা গেল, ত্বকের কাছের সেই শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে প্রদাহ হয়েছে। পায়ের রক্তনালীর ডুপ্লেক্স আলট্রা সাউন্ডে জমাট রক্ত কত দূর ছড়িয়েছে এবং গভীর শিরায় রক্ত জমেছে কি না, তা দেখা হলো। সে অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হলো। জটিলতা নিয়ন্ত্রণে আসার পর তাঁর মূল ভ্যারিকোস ভেইনের চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হলো কাটাছেড়া না করে আরএফএলেজার পদ্ধতির মাধ্যমে।

পায়ের ত্বকের নিচে ফুলে ওঠা আঁকাবাঁকা মোটা শিরার নাম ভ্যারিকোস ভেইন। পায়ের শিরায় থাকা একমুখী ভালভ রক্তকে হৃৎপিণ্ডের দিকে উঠতে সাহায্য করে। ভালভ ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তের কিছু অংশ নিচে ফিরে আসে। শিরায় চাপ বাড়তে থাকে, একসময় তা প্রসারিত হয়ে ত্বকের ওপর উঁচু ও আঁকাবাঁকা দেখা যায়।

এ রোগ বিশ্বজুড়ে সাধারণ। তবে ঠিক কত মানুষ আক্রান্ত, তার একটিমাত্র সংখ্যা বলা কঠিন—গবেষণা ভেদে বয়স, পরীক্ষার পদ্ধতি ও রোগের সংজ্ঞা আলাদা। একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা পর্যালোচনায় দৃশ্যমান ভ্যারিকোস ভেইন পর্যায়ের সম্মিলিত হার পাওয়া গেছে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ।
অনেকের শুধু শিরা ফুলে থাকে। অন্যদের পায়ে ভারী ভাব, ব্যথা, জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা গোড়ালি ফোলার সমস্যা হয়। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। রোগ অগ্রসর হলে গোড়ালির কাছে ত্বক কালচে ও শক্ত হয়, কখনো ঘা তৈরি হয়, যাকে বলে ভেনাস আলসার। ফুলে থাকা শিরা থেকে রক্তপাতও হতে পারে। হঠাৎ শিরা লাল, শক্ত ও ব্যথাযুক্ত হলে সেটিও দ্রুত মূল্যায়নের কারণ। অনেকেই এই সমস্যার কারনে দীর্ঘদিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে থাকেন।

ভ্যারিকোস ভেইন নতুন রোগ নয়। প্রাচীন গ্রিসের চিকিৎসক হিপোক্রেটিসের লেখায় পায়ের শিরার রোগ ও ক্ষতের উল্লেখ আছে। মুসলিমদের স্বর্ন যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানীগন এই রোগের বিবরন দিয়েছেন, চিকিৎসা দিয়েছেন। বিংশ শতকের শুরুতে আসে ভেইন স্ট্রিপিং—আক্রান্ত শিরা কেটে বের করে আনার পদ্ধতি। পরে ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরা বন্ধ করার স্ক্লেরোথেরাপি ব্যবহৃত হয়। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে কাটা ছেড়া না করে শিরার ভেতর দিয়ে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি/ আরএফএ ও লেজারের তাপ প্রয়োগ চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন আনে।

আজ চিকিৎসার পরিকল্পনায় প্রধান পরীক্ষা রক্তনালীর ডুপ্লেক্স আলট্রাসাউন্ড। এতে বিকিরণ নেই এবং ব্যথাও হয় না। কোন শিরায় রক্ত উল্টো দিকে যাচ্ছে, সমস্যা কত দূর বিস্তৃত, গভীর শিরা খোলা আছে কি না—এসব জানা যায়। থ্রম্বোফ্লেবাইটিস হলে জমাট রক্তের অবস্থানও দেখা যায়। তবে ফল পরীক্ষকের দক্ষতা ও সঠিকভাবে পরীক্ষা করার ওপর নির্ভর করে। শুধু বাইরে দেখা শিরা দেখে সবার জন্য একই চিকিৎসা নির্ধারণ করা যায় না।

আর্মি, নেভি বা বিদেশে চাকরি নিতে ইচ্ছুক অনেকেই পায়ের মোটা শিরা নিয়ে উদ্বিগ্ন হন। ভ্যারিকোস ভেইন থাকলেই আর্মিবা বিদেশে চাকরির অযোগ্য—এমন সর্বজনীন নিয়ম নেই। তবে ব্যথা, বেশি ফোলা বা পায়ে ঘা থাকলে কাজের সক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট চাকরির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তা বিবেচিত হতে পারে। দেশ, পেশা ও নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী নিয়ম ভিন্ন। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যগত শর্ত জেনে নেওয়া এবং উপসর্গ থাকলে আগে ভাগে পরীক্ষা করানো ভালো।

চিকিৎসার একটি অংশ হলো নিয়মিত হাঁটা, পায়ের পেশি সচল রাখা, দীর্ঘক্ষণ একভাবে দাঁড়িয়ে বা বসে না থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্রামের সময় পা কিছুটা উঁচুতে রাখা। উপযুক্ত মাপ ও চাপের মেডিকেল কম্প্রেশন স্টকিং বা বিশেষ মোজাব্যথা ও ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে মোজা নষ্ট হয়ে যাওয়া ভালভ সারায় না। পায়ের ধমনিতে রক্ত চলাচলের সমস্যা থাকলে চাপযুক্ত মোজা ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার।

ডুপ্লেক্স পরীক্ষায় প্রধান শিরায় রক্তের উল্টো প্রবাহ ধরা পড়লে এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হলে এন্ডোভেনাস লেজার অ্যাবলেশন (ঊঠখঅ) বা রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন (জঋঅ)বিবেচনা করা হয়। আলট্রাসাউন্ড দেখে ত্বকে ছোট সূচের ছিদ্র দিয়ে শিরার ভেতর সরু যন্ত্র ঢোকানো হয়। স্থানীয়ভাবে অবশ করার পর তাপ দিয়ে অসুস্থ শিরা বন্ধ করা হয়। সাধারণত বড় কাটাছেঁড়া বা শিরা টেনে বের করার প্রয়োজন হয় না। বাইরের ফুলে থাকা শাখা শিরার জন্য অতিরিক্ত ফোম ইনজেকশন বা ছোট ছিদ্র দিয়ে চিকিৎসা লাগতে পারে। কিছু রোগীর জন্য প্রচলিত অস্ত্রোপচারও উপযুক্ত হতে পারে।

চিকিৎসার পর হাঁটাচলা, ক্ষতস্থানের যত্ন ও ফলোআপের নির্দেশনা মানতে হয়। চিকিৎসক সাময়িকভাবে কম্প্রেশন মোজা পরার পরামর্শ দিতে পারেন। ভবিষ্যতে নতুন শিরায় সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি দূর করা যায় না, তবে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও সময়মতো পরীক্ষা জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পায়ের আঁকাবাঁকা মোটা শিরা: অবহেলা থেকে জটিলতা, চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা

Update Time : 01:08:31 pm, Thursday, 5 November 2026

ডা. একেএম জিয়াউল হক
সহকারী অধ্যাপক, ভাসকুলার সার্জারি বিভাগ
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ, কল্যাণপুর, ঢাকা

সকালে ঘুম থেকে উঠে একজন ব্যক্তি দেখলেন, তারপায়ের বহুদিনের ফুলে থাকা আঁকাবাঁকা শিরার একটি অংশ হঠাৎ লাল, শক্ত ও খুব ব্যথাযুক্ত। স্পর্শ করলেই যন্ত্রণা। গায়ে জ্বর জ্বর ভাব। দ্রুত পরীক্ষা করে জানা গেল, ত্বকের কাছের সেই শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে প্রদাহ হয়েছে। পায়ের রক্তনালীর ডুপ্লেক্স আলট্রা সাউন্ডে জমাট রক্ত কত দূর ছড়িয়েছে এবং গভীর শিরায় রক্ত জমেছে কি না, তা দেখা হলো। সে অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হলো। জটিলতা নিয়ন্ত্রণে আসার পর তাঁর মূল ভ্যারিকোস ভেইনের চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হলো কাটাছেড়া না করে আরএফএলেজার পদ্ধতির মাধ্যমে।

পায়ের ত্বকের নিচে ফুলে ওঠা আঁকাবাঁকা মোটা শিরার নাম ভ্যারিকোস ভেইন। পায়ের শিরায় থাকা একমুখী ভালভ রক্তকে হৃৎপিণ্ডের দিকে উঠতে সাহায্য করে। ভালভ ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তের কিছু অংশ নিচে ফিরে আসে। শিরায় চাপ বাড়তে থাকে, একসময় তা প্রসারিত হয়ে ত্বকের ওপর উঁচু ও আঁকাবাঁকা দেখা যায়।

এ রোগ বিশ্বজুড়ে সাধারণ। তবে ঠিক কত মানুষ আক্রান্ত, তার একটিমাত্র সংখ্যা বলা কঠিন—গবেষণা ভেদে বয়স, পরীক্ষার পদ্ধতি ও রোগের সংজ্ঞা আলাদা। একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা পর্যালোচনায় দৃশ্যমান ভ্যারিকোস ভেইন পর্যায়ের সম্মিলিত হার পাওয়া গেছে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ।
অনেকের শুধু শিরা ফুলে থাকে। অন্যদের পায়ে ভারী ভাব, ব্যথা, জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা গোড়ালি ফোলার সমস্যা হয়। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। রোগ অগ্রসর হলে গোড়ালির কাছে ত্বক কালচে ও শক্ত হয়, কখনো ঘা তৈরি হয়, যাকে বলে ভেনাস আলসার। ফুলে থাকা শিরা থেকে রক্তপাতও হতে পারে। হঠাৎ শিরা লাল, শক্ত ও ব্যথাযুক্ত হলে সেটিও দ্রুত মূল্যায়নের কারণ। অনেকেই এই সমস্যার কারনে দীর্ঘদিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে থাকেন।

ভ্যারিকোস ভেইন নতুন রোগ নয়। প্রাচীন গ্রিসের চিকিৎসক হিপোক্রেটিসের লেখায় পায়ের শিরার রোগ ও ক্ষতের উল্লেখ আছে। মুসলিমদের স্বর্ন যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানীগন এই রোগের বিবরন দিয়েছেন, চিকিৎসা দিয়েছেন। বিংশ শতকের শুরুতে আসে ভেইন স্ট্রিপিং—আক্রান্ত শিরা কেটে বের করে আনার পদ্ধতি। পরে ইনজেকশনের মাধ্যমে শিরা বন্ধ করার স্ক্লেরোথেরাপি ব্যবহৃত হয়। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে কাটা ছেড়া না করে শিরার ভেতর দিয়ে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি/ আরএফএ ও লেজারের তাপ প্রয়োগ চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন আনে।

আজ চিকিৎসার পরিকল্পনায় প্রধান পরীক্ষা রক্তনালীর ডুপ্লেক্স আলট্রাসাউন্ড। এতে বিকিরণ নেই এবং ব্যথাও হয় না। কোন শিরায় রক্ত উল্টো দিকে যাচ্ছে, সমস্যা কত দূর বিস্তৃত, গভীর শিরা খোলা আছে কি না—এসব জানা যায়। থ্রম্বোফ্লেবাইটিস হলে জমাট রক্তের অবস্থানও দেখা যায়। তবে ফল পরীক্ষকের দক্ষতা ও সঠিকভাবে পরীক্ষা করার ওপর নির্ভর করে। শুধু বাইরে দেখা শিরা দেখে সবার জন্য একই চিকিৎসা নির্ধারণ করা যায় না।

আর্মি, নেভি বা বিদেশে চাকরি নিতে ইচ্ছুক অনেকেই পায়ের মোটা শিরা নিয়ে উদ্বিগ্ন হন। ভ্যারিকোস ভেইন থাকলেই আর্মিবা বিদেশে চাকরির অযোগ্য—এমন সর্বজনীন নিয়ম নেই। তবে ব্যথা, বেশি ফোলা বা পায়ে ঘা থাকলে কাজের সক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট চাকরির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তা বিবেচিত হতে পারে। দেশ, পেশা ও নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী নিয়ম ভিন্ন। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যগত শর্ত জেনে নেওয়া এবং উপসর্গ থাকলে আগে ভাগে পরীক্ষা করানো ভালো।

চিকিৎসার একটি অংশ হলো নিয়মিত হাঁটা, পায়ের পেশি সচল রাখা, দীর্ঘক্ষণ একভাবে দাঁড়িয়ে বা বসে না থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্রামের সময় পা কিছুটা উঁচুতে রাখা। উপযুক্ত মাপ ও চাপের মেডিকেল কম্প্রেশন স্টকিং বা বিশেষ মোজাব্যথা ও ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে মোজা নষ্ট হয়ে যাওয়া ভালভ সারায় না। পায়ের ধমনিতে রক্ত চলাচলের সমস্যা থাকলে চাপযুক্ত মোজা ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার।

ডুপ্লেক্স পরীক্ষায় প্রধান শিরায় রক্তের উল্টো প্রবাহ ধরা পড়লে এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হলে এন্ডোভেনাস লেজার অ্যাবলেশন (ঊঠখঅ) বা রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন (জঋঅ)বিবেচনা করা হয়। আলট্রাসাউন্ড দেখে ত্বকে ছোট সূচের ছিদ্র দিয়ে শিরার ভেতর সরু যন্ত্র ঢোকানো হয়। স্থানীয়ভাবে অবশ করার পর তাপ দিয়ে অসুস্থ শিরা বন্ধ করা হয়। সাধারণত বড় কাটাছেঁড়া বা শিরা টেনে বের করার প্রয়োজন হয় না। বাইরের ফুলে থাকা শাখা শিরার জন্য অতিরিক্ত ফোম ইনজেকশন বা ছোট ছিদ্র দিয়ে চিকিৎসা লাগতে পারে। কিছু রোগীর জন্য প্রচলিত অস্ত্রোপচারও উপযুক্ত হতে পারে।

চিকিৎসার পর হাঁটাচলা, ক্ষতস্থানের যত্ন ও ফলোআপের নির্দেশনা মানতে হয়। চিকিৎসক সাময়িকভাবে কম্প্রেশন মোজা পরার পরামর্শ দিতে পারেন। ভবিষ্যতে নতুন শিরায় সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি দূর করা যায় না, তবে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও সময়মতো পরীক্ষা জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।