পোশাকশ্রমিকদের বেতন কত?
- Update Time : 11:21:18 am, Sunday, 1 November 2026
- / 5 Time View
তিন বছর আগে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন সাড়ে ১২ হাজার নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই বেতন বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানী মিরপুর ও গাজীপুরের বিভিন্ন জায়াগায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করছেন শ্রমিকরা।
পুলিশদের সঙ্গে জাড়িয়েছেন সংঘর্ষেও।
এরই মধ্যে আজ রবিবার (১ নভেম্বর) পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই বোর্ডের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশোধিত ধারা ১৩৯ অনুযায়ী বোর্ডের দায়িত্ব হবে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা।
বোর্ডের সুপারিশ পর্যালোচনা করে সরকার নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করবে এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করবে।
এর আগে ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি গ্রেডভিত্তিক মজুরি নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার, যা এখনো চলছে।
সবশেষ মজুরিকাঠামোয় ১ নম্বর গ্রেডে পোশাকশ্রমিকদের সর্বোচ্চ মোট মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৪ হাজার ৭৫০ টাকা। গ্রেড ২–এ মোট মজুরি করা হয়েছিল ১৪ হাজার ১৫০ টাকা।
গ্রেড ৩–এ মোট মজুরি বাড়িয়ে করা হয়েছিল ১৩ হাজার ৫৫০ টাকা। গ্রেড ৪–এ মোট মজুরি ঘোষণা করা হয়েছিল ১৩ হাজার ২৫ টাকা। সর্বশেষ গ্রেড ৫–এ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল সাড়ে ১২ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, সেই সময় পোশাকশিল্পের কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২ হাজার ৮০০ টাকা। কর্মচারীদের জন্য গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছিল চারটি।
সর্বোচ্চ গ্রেডে মোট মজুরি ১৮ হাজার ৮০০ টাকা। আর শিক্ষানবিশ কর্মচারীর মজুরি করা হয়েছিল ৯ হাজার ৯৫০ টাকা।
২০২৩ সালের আগে সর্বশেষ পোশাকশিল্পের মজুরিকাঠামো ঘোষিত হয়েছিল ২০১৮ সালে। সেবার শ্রমিকদের জন্য মোট ৭টি গ্রেড বা শ্রেণিতে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই সময় ন্যূনতম শ্রমিক মজুরি করা হয়েছিল ৮ হাজার টাকা।
১৯৯৪ সালে প্রথম মজুরি বোর্ডে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারিত হয় ৯৩০ টাকা। তারপর ২০০৬ ও ২০১০ সালে মজুরি বাড়ে। ২০১৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৭৬ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়।
