Dhaka 6:47 pm, Monday, 19 October 2026
সর্বশেষ
বিশ্বকাপে গ্রুপসেরা হতে চায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদিতে নিহত পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলুন : প্রধানমন্ত্রী লালন অনুসারীদের মিলন মেলা শেষ হচ্ছে আজ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন শান্তি আলোচনা চালু রাখতেই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত: ট্রাম্প টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, নিরাপত্তা নিয়ে ফের উদ্বেগে বলিউড নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন : প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের পথে ইতালি, আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেপ্তার ১৯৭ আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সুযোগ-সুবিধায় সন্তুষ্ট বিসিবি 

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 10:19:40 am, Monday, 19 October 2026
  • / 8 Time View

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘আজকের দিন হতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। তিনি সেই সুযোগ দিয়েছেন।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মাদকবিরোধী যুদ্ধ শুরু করেছো, চালিয়ে যাও।’

পদত্যাগের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার কারণে প্রধানমন্ত্রীর কর্মকান্ড কিংবা দল যেন বিব্রত না হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করি।’

ইশরাক বলেন, ‘আমার দ্বারা কোনও ভুল হয়ে থাকলে, কাউকে আঘাত দিলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি কোনও ভুল করিনি। শুধু নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু সময় ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি জমি দখল বা চাঁদা তুলতে যাই নাই, মাদক নির্মূলের জন্য গিয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রকদের যোগসাজশ আছে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী যেহেতু ইকুইপ্ট নয়; সুতরাং পুলিশ ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মাদক নির্মূলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। থানাকে জানিয়ে ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক নির্মূলের অভিযানে গিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে আমি ব্যক্তিগত লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী ঘুণ্টিঘর এলাকায় যেতে সাহস পান না, কারণ ওরা ওপর থেকে গুলি করে। গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকের হাব ধ্বংস করতে গিয়েছিলাম।’

ইশরাক বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা মুখ খোলে না। মাদকের কুখ্যাত আখরা ঘুণ্টিঘর মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখরা। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে করা অভিযানের দৃষ্টি নানা ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

Update Time : 10:19:40 am, Monday, 19 October 2026

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘আজকের দিন হতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে। তিনি সেই সুযোগ দিয়েছেন।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মাদকবিরোধী যুদ্ধ শুরু করেছো, চালিয়ে যাও।’

পদত্যাগের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার কারণে প্রধানমন্ত্রীর কর্মকান্ড কিংবা দল যেন বিব্রত না হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করি।’

ইশরাক বলেন, ‘আমার দ্বারা কোনও ভুল হয়ে থাকলে, কাউকে আঘাত দিলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমি কোনও ভুল করিনি। শুধু নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু সময় ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি জমি দখল বা চাঁদা তুলতে যাই নাই, মাদক নির্মূলের জন্য গিয়েছিলাম। আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রকদের যোগসাজশ আছে।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী যেহেতু ইকুইপ্ট নয়; সুতরাং পুলিশ ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মাদক নির্মূলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। থানাকে জানিয়ে ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক নির্মূলের অভিযানে গিয়েছিলাম। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে আমি ব্যক্তিগত লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে রেখেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বাহিনী ঘুণ্টিঘর এলাকায় যেতে সাহস পান না, কারণ ওরা ওপর থেকে গুলি করে। গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে মাদকের হাব ধ্বংস করতে গিয়েছিলাম।’

ইশরাক বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা মুখ খোলে না। মাদকের কুখ্যাত আখরা ঘুণ্টিঘর মুন্সিরটেক এলাকা মাদকের আখরা। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে করা অভিযানের দৃষ্টি নানা ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’