সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে মানুষের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন প্রয়োজন
- Update Time : 12:10:02 pm, Sunday, 11 October 2026
- / 9 Time View
শুধু আইন-আদালত, পুলিশ প্রশাসন কিংবা হাসপাতাল বাড়িয়ে সমাজের গভীরে থাকা সংকট ও অপরাধের স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব নয়। এসব সমস্যা সমাধানে মানুষের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই সংকট ও অপরাধের স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ও কমিউনিটি পর্যায়ে সমন্বিত সামাজিক ও মনোদৈহিক (সাইকোসোশ্যাল) পদক্ষেপ। অপরাধের পেছনে থাকা সামাজিক ও পারিবারিক কারণ বিশ্লেষণ করে যদি স্থায়ী প্রতিকার করতে না পারি, তবে কোনো সমস্যারই সমাধান হবে না।
দেশের ডেমোগ্রাফিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের মনে রাখতে হবে যে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নারী ও ৩৪ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে।
সাইকোসোশ্যাল কাজ করার প্রধান ক্ষেত্র কিন্তু এই বিশাল জনগোষ্ঠী।
অধিকাংশ ডিপ্রেশনে ভুগছেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, একই সঙ্গে আমাদের এই সচেতনতা জনগণের মাধ্যমে তৈরি করা প্রয়োজন যে আমরা একেবারে খুবই হেলদি লুকিং, ওয়েল ফাংশনিং নাগরিক যারা আছে তারা অনেকেই কিন্তু ডিপ্রেশনে ভুগছেন।
বাস্তবায়ন পরিকল্পনার অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা কয়েকটি বিষয়কে প্রায়োরিটি হিসেবে আইডেন্টিফাই করেছি। অ্যাডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথ, ডিজিটাল অ্যাডিকশন ও প্যারেন্টাল সেপারেশন— এই তিনটা কিন্তু আমাদের সমাজে আগে বড় ধরনের কোনো সমস্যা ছিল না।
এ ছাড়া তিনি ‘ইন্টিমেট পার্টনার ভায়োলেন্স অ্যান্ড ডোমেস্টিক ট্রমা’ ও ‘পেরিনেটাল অ্যান্ড পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন’ মোকাবেলাতেও বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান।
সেমিনারে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।














