Dhaka 8:47 pm, Thursday, 8 October 2026
সর্বশেষ
বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান তারিকুল ওমর প্রবাসীদের বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধে নজরদারির সুপারিশ বাংলাদেশ সফরে আসছেন নেদারল্যান্ডসের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতামন্ত্রী বিমান-পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরামর্শ ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চায় ইন্দোনেশিয়া প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার সমঝোতা স্মারক সই আবরার হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টারি প্রতিনিধিদলকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই : মীর শাহে আলম

পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 01:14:24 pm, Thursday, 8 October 2026
  • / 4 Time View

বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় দুই দেশের দ্বিতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ বৈঠকের শুরুতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদলের প্রধানরা এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

এর মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও পরামর্শের কাঠামো শক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় (পূর্ব ও পশ্চিম) অনুবিভাগের সচিব রাষ্ট্রদূত ড. এম নজরুল ইসলাম এবং লিথুয়ানিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ভিডমান্তাস ভারবিকাস।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের পারস্পরিক সফর আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতের যোগাযোগ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং ওষুধশিল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন খাতে নিজেদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখতে লিথুয়ানিয়ার বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। পাশাপাশি লিথুয়ানিয়ার বেসরকারি খাতের একটি অনুসন্ধানী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ। ডিজিটাল শাসন, ই-আইডি ব্যবস্থা, নিরাপদ তথ্য বিনিময়, উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক অংশীদারি নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশে ই-গভর্ন্যান্স খাতে সহযোগিতা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে লিথুয়ানিয়া।

তথ্যপ্রযুক্তি, ই-রেজিস্ট্রেশন, আর্থিক প্রযুক্তি, সরকারি প্রযুক্তি, ক্লাউড ও ডেটা সেবা, সাইবার নিরাপত্তা, ই-পরিবহন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ ও জীবপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এসব খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে লিথুয়ানিয়ার আগ্রহের কথা জানান দেশটির উপমন্ত্রী।

দেশটির ডিজিটাল খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারির সুযোগ খুঁজতে আগ্রহী বলেও জানানো হয়। 

দক্ষ জনশক্তি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ আইটি পেশাজীবী, প্রকৌশলী, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীসহ দক্ষ জনশক্তির সক্ষমতার কথা তুলে ধরে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ কর্মসূচির আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি, সেবাযত্ন, নির্মাণ, আতিথেয়তা ও পর্যটন, কৃষি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। সরকারি পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত ও বৈধপথে কর্মী যাওয়ার ভিত্তিতে এ বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে লিথুয়ানিয়া।

শিক্ষা, খেলাধুলা, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লিথুয়ানিয়ার উপমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা চার গুণের বেশি বেড়েছে। বর্তমানে লিথুয়ানিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। শিক্ষার্থীদের চলাচলের ক্ষেত্রে নিয়মিত ও বৈধপথ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

কৃষি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সংস্কৃতি, পর্যটন, বিনিয়োগের উন্নয়ন ও সুরক্ষা এবং শিল্প খাতে সহযোগিতাসহ কয়েকটি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে তার দায়িত্ব পালনে সমর্থনের আশ্বাস দেন লিথুয়ানিয়ার উপমন্ত্রী।

২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে লিথুয়ানিয়া। এ সময় বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইইউতে সম্ভাব্য সহযোগিতা দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে দেশটি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন দেওয়ার কথাও জানিয়েছে লিথুয়ানিয়া।

২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৫ বছর পূর্তি যথাযথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই দেশের দ্বিতীয় দফার পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ বৈঠক ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের ভিত্তি আরো শক্ত করেছে বলে মনে করছে উভয় পক্ষ। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে তৃতীয় দফার পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার সমঝোতা স্মারক সই

Update Time : 01:14:24 pm, Thursday, 8 October 2026

বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় দুই দেশের দ্বিতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ বৈঠকের শুরুতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদলের প্রধানরা এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

এর মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও পরামর্শের কাঠামো শক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় (পূর্ব ও পশ্চিম) অনুবিভাগের সচিব রাষ্ট্রদূত ড. এম নজরুল ইসলাম এবং লিথুয়ানিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ভিডমান্তাস ভারবিকাস।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের পারস্পরিক সফর আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতের যোগাযোগ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং ওষুধশিল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন খাতে নিজেদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখতে লিথুয়ানিয়ার বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। পাশাপাশি লিথুয়ানিয়ার বেসরকারি খাতের একটি অনুসন্ধানী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ। ডিজিটাল শাসন, ই-আইডি ব্যবস্থা, নিরাপদ তথ্য বিনিময়, উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক অংশীদারি নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশে ই-গভর্ন্যান্স খাতে সহযোগিতা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে লিথুয়ানিয়া।

তথ্যপ্রযুক্তি, ই-রেজিস্ট্রেশন, আর্থিক প্রযুক্তি, সরকারি প্রযুক্তি, ক্লাউড ও ডেটা সেবা, সাইবার নিরাপত্তা, ই-পরিবহন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ ও জীবপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এসব খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে লিথুয়ানিয়ার আগ্রহের কথা জানান দেশটির উপমন্ত্রী।

দেশটির ডিজিটাল খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারির সুযোগ খুঁজতে আগ্রহী বলেও জানানো হয়। 

দক্ষ জনশক্তি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ আইটি পেশাজীবী, প্রকৌশলী, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীসহ দক্ষ জনশক্তির সক্ষমতার কথা তুলে ধরে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ কর্মসূচির আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি, সেবাযত্ন, নির্মাণ, আতিথেয়তা ও পর্যটন, কৃষি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। সরকারি পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত ও বৈধপথে কর্মী যাওয়ার ভিত্তিতে এ বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে লিথুয়ানিয়া।

শিক্ষা, খেলাধুলা, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লিথুয়ানিয়ার উপমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা চার গুণের বেশি বেড়েছে। বর্তমানে লিথুয়ানিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। শিক্ষার্থীদের চলাচলের ক্ষেত্রে নিয়মিত ও বৈধপথ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

কৃষি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সংস্কৃতি, পর্যটন, বিনিয়োগের উন্নয়ন ও সুরক্ষা এবং শিল্প খাতে সহযোগিতাসহ কয়েকটি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে তার দায়িত্ব পালনে সমর্থনের আশ্বাস দেন লিথুয়ানিয়ার উপমন্ত্রী।

২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে লিথুয়ানিয়া। এ সময় বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইইউতে সম্ভাব্য সহযোগিতা দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে দেশটি। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন দেওয়ার কথাও জানিয়েছে লিথুয়ানিয়া।

২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৫ বছর পূর্তি যথাযথভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই দেশের দ্বিতীয় দফার পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ বৈঠক ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের ভিত্তি আরো শক্ত করেছে বলে মনে করছে উভয় পক্ষ। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে তৃতীয় দফার পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।