Dhaka 1:59 am, Thursday, 22 October 2026

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 05:04:22 am, Friday, 25 September 2026
  • / 23 Time View

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই সামান্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এর পরিণতি বহন করতে হচ্ছে।

এই বাস্তবতায় ঝুঁকি মোকাবিলা করে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনের পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। 

তিনি বলেন, কপ-৩১সহ আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশ ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন এবং অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

বন্যা ও খরার ঝুঁকি মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৃহৎ জলাধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

পানি সংরক্ষণ ও দূষণ রোধে অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ জোরদারের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ‘ওয়াটার কনভেনশন’ স্বাক্ষর করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : 05:04:22 am, Friday, 25 September 2026

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই সামান্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এর পরিণতি বহন করতে হচ্ছে।

এই বাস্তবতায় ঝুঁকি মোকাবিলা করে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনের পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। 

তিনি বলেন, কপ-৩১সহ আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশ ক্লাইমেট জাস্টিস, জলবায়ু অর্থায়ন এবং অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

বন্যা ও খরার ঝুঁকি মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৃহৎ জলাধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

পানি সংরক্ষণ ও দূষণ রোধে অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ জোরদারের পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ‘ওয়াটার কনভেনশন’ স্বাক্ষর করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।