Dhaka 3:21 pm, Thursday, 24 September 2026
সর্বশেষ
বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জোর বাংলাদেশের ইথিওপিয়ার ৩ বিমানবন্দর দখল, আবার বড় যুদ্ধের শঙ্কা চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বর্তমান সরকার কাজে লাগাচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড অধিকার প্রতিষ্ঠায় আর যেন রাজপথে রক্ত দিতে না হয় : ডেপুটি স্পিকার মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২ নির্দেশনা গণশুনানিতে সাধারণ মানুষের সমস্যা, সমাধানে সরাসরি জেলা প্রশাসক জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে : ইসি আনোয়ারুল অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ১৯তম বিজেএস প্রিলিমিনারি

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ১৯তম বিজেএস প্রিলিমিনারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 08:32:53 am, Thursday, 24 September 2026
  • / 2 Time View

অক্টোবর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে ১৯তম বিজেএসের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, এবারও অধিক সংখ্যক বিচারক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি তথ্য জানান।

গতকাল বুধবার ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের অবশিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করি, নবনিযুক্ত বিচারকগণ অতি শিগগিরই বিচারকার্যে যোগদান করবেন। তাদের প্রতি আমাদের একটাই প্রত্যাশা—সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন চাহিদাকৃত ১০০ জনের পরিবর্তে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে পরবর্তী বিজেএস পরীক্ষার কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল হিসেবে পদাধিকারবলে আমি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের একজন সদস্য। বিচার বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচারকের স্বল্পতা দূরীকরণ এবং জনগণের জন্য দ্রুত ও দক্ষ বিচারসেবা নিশ্চিত করার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য একই সঙ্গে দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ধারাবাহিক, দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বিচারকের স্বল্পতা ক্রমান্বয়ে দূর হবে এবং গড়ে উঠবে একটি দক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ, জনবান্ধব ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম বিচারব্যবস্থা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ১৯তম বিজেএস প্রিলিমিনারি

Update Time : 08:32:53 am, Thursday, 24 September 2026

অক্টোবর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে ১৯তম বিজেএসের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, এবারও অধিক সংখ্যক বিচারক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি তথ্য জানান।

গতকাল বুধবার ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের অবশিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করি, নবনিযুক্ত বিচারকগণ অতি শিগগিরই বিচারকার্যে যোগদান করবেন। তাদের প্রতি আমাদের একটাই প্রত্যাশা—সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন চাহিদাকৃত ১০০ জনের পরিবর্তে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে পরবর্তী বিজেএস পরীক্ষার কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল হিসেবে পদাধিকারবলে আমি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের একজন সদস্য। বিচার বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচারকের স্বল্পতা দূরীকরণ এবং জনগণের জন্য দ্রুত ও দক্ষ বিচারসেবা নিশ্চিত করার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য একই সঙ্গে দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ধারাবাহিক, দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বিচারকের স্বল্পতা ক্রমান্বয়ে দূর হবে এবং গড়ে উঠবে একটি দক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ, জনবান্ধব ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম বিচারব্যবস্থা।