Dhaka 2:00 pm, Thursday, 17 September 2026

ইরান যুদ্ধে ৩৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের, অস্ত্রসংকটের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : 02:48:49 am, Wednesday, 16 September 2026
  • / 11 Time View

ইরানের বিরুদ্ধে গত ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত ৩৮ বিলিয়ন (৩৮০০ কোটি) ডলার খরচ হয়েছে এবং এই ব্যয় প্রতি মাসে আরো ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে। মার্কিন কংগ্রেসের নিরপেক্ষ হিসাবরক্ষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও)-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সিবিও সতর্ক করেছে যে, এই যুদ্ধের কারণে ২০২৭ সালের শুরুতে মুদ্রাস্ফীতি ০.৫% বৃদ্ধি পেতে পারে। 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা পুনরায় পূরণ করতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। এর ফলে চীন বা অন্যান্য অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবেলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি হামলায় পেন্টাগনের বহু ভবন, যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী ও উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দামও দ্রুত বাড়ছে। 

তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন অস্ত্র ঘাটতির এই তথ্য খণ্ডন করে দাবি করেছে যে, প্রেসিডেন্টের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক প্রস্তুতি রয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই যুদ্ধকে বিপর্যয়কর বলে উল্লেখ করেছেন, যেখানে ইতিমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এই বিশাল যুদ্ধব্যয় মার্কিন বাজেট ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ইরান যুদ্ধে ৩৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের, অস্ত্রসংকটের আশঙ্কা

Update Time : 02:48:49 am, Wednesday, 16 September 2026

ইরানের বিরুদ্ধে গত ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত ৩৮ বিলিয়ন (৩৮০০ কোটি) ডলার খরচ হয়েছে এবং এই ব্যয় প্রতি মাসে আরো ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে। মার্কিন কংগ্রেসের নিরপেক্ষ হিসাবরক্ষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও)-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সিবিও সতর্ক করেছে যে, এই যুদ্ধের কারণে ২০২৭ সালের শুরুতে মুদ্রাস্ফীতি ০.৫% বৃদ্ধি পেতে পারে। 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা পুনরায় পূরণ করতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। এর ফলে চীন বা অন্যান্য অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবেলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি হামলায় পেন্টাগনের বহু ভবন, যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী ও উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দামও দ্রুত বাড়ছে। 

তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন অস্ত্র ঘাটতির এই তথ্য খণ্ডন করে দাবি করেছে যে, প্রেসিডেন্টের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক প্রস্তুতি রয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই যুদ্ধকে বিপর্যয়কর বলে উল্লেখ করেছেন, যেখানে ইতিমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এই বিশাল যুদ্ধব্যয় মার্কিন বাজেট ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে।