Dhaka 1:44 am, Sunday, 21 June 2026

৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সময়ের কাগজ ডেস্ক :
  • Update Time : 04:42:31 pm, Saturday, 20 June 2026
  • / 28 Time View

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে আগামীকাল রবিবার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তারেক রহমান। সংক্ষিপ্ত এই সফর শেষে সেখান থেকেই তার চীনে যাওয়ার কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী দুই দেশ মিলিয়ে ছয় দিনের সফরে যাবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীনে অবস্থান করবেন।দুই দেশে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মালয়েশিয়ার সফর থেকে শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে বলে ধারণা করছেন সফর সংশ্লিষ্টরা।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিত করা। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হবে। বাণিজ্যের মধ্যে অন্যতম আলোচনার বিষয় হিসেবে থাকবে হালাল পণ্য রপ্তানি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, রবিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকের পর উভয় দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। এছাড়া বৈঠকে মূল আলোচনায় থাকবে শ্রমবাজার।তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নানা কারণে এই শ্রমবাজার স্থবির হয়ে আছে। এই বৈঠক থেকে শ্রমবাজার সচল করার বিষয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।২০২৫ সালের আগস্টে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। এই সফরকেও অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক কোনদিকে এগোবে, তা জানা যাবে আসন্ন এই সফরে।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 04:42:31 pm, Saturday, 20 June 2026

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে আগামীকাল রবিবার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তারেক রহমান। সংক্ষিপ্ত এই সফর শেষে সেখান থেকেই তার চীনে যাওয়ার কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী দুই দেশ মিলিয়ে ছয় দিনের সফরে যাবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীনে অবস্থান করবেন।দুই দেশে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মালয়েশিয়ার সফর থেকে শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে বলে ধারণা করছেন সফর সংশ্লিষ্টরা।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিত করা। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হবে। বাণিজ্যের মধ্যে অন্যতম আলোচনার বিষয় হিসেবে থাকবে হালাল পণ্য রপ্তানি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, রবিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকের পর উভয় দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। এছাড়া বৈঠকে মূল আলোচনায় থাকবে শ্রমবাজার।তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নানা কারণে এই শ্রমবাজার স্থবির হয়ে আছে। এই বৈঠক থেকে শ্রমবাজার সচল করার বিষয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।২০২৫ সালের আগস্টে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল।মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। এই সফরকেও অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক কোনদিকে এগোবে, তা জানা যাবে আসন্ন এই সফরে।

এসকাগজ/আরডি