Dhaka 7:18 pm, Friday, 8 May 2026
সর্বশেষ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ র‍্যাবের জন্য কেনা হচ্ছে ১৬৩ গাড়ি, খরচ ১২২ কোটি টাকা শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতা: ৪ জন নিহত, শতাধিক গ্রেপ্তার হালদা তীরবর্তী সরকারি হ্যাচারিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: খোঁজ নিলেন হালদার রেনুর যে স্বপ্ন পশ্চিমে বিলাসিতা, মালয়েশিয়ায় সে স্বপ্ন বাস্তব নির্বাচনে জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির তাণ্ডব ধর্ম ও রাজনীতির প্রশ্নে দায়িত্বশীল হোক ভাষার প্রয়োগ একাদশ শ্রেণিতে নগদ টাকা সহায়তা দিচ্ছে সরকার দেশের ৫ অঞ্চলে দমকা হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ

সময়ের কাগজ ডেস্ক :
  • Update Time : 06:36:44 am, Friday, 8 May 2026
  • / 24 Time View

আজ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য পুরুষ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৬১ সালের ২৫ বৈশাখ, ইংরেজি ৮ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করা এই মহামানব। বাঙালির জীবনের বিচিত্র অনুভূতির ভাষা তিনি বহু আগেই লিখে রেখে গেছেন। আনন্দে-বেদনায়, প্রেমে-বিরহে কিংবা প্রতিবাদে—কোথায় নেই রবীন্দ্রনাথ? দেড় শতাব্দীর বেশি সময় পার হলেও আজও তিনি বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও চেতনার গভীরে অমলিন। তাঁর গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, তাঁর কবিতা আমাদের আবেগের আশ্রয়। তাঁর গল্প-উপন্যাস ও দর্শন আমাদের দেখায় নতুন পথের দিশা।বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন ৮ বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি।সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ সাহিত্য, চিত্রকলায় তাঁর সৃষ্টিশীলতার অসামান্য দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। মানবতা, দেশপ্রেম, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

এসকাগজ/আরডি

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ

Update Time : 06:36:44 am, Friday, 8 May 2026

আজ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য পুরুষ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৬১ সালের ২৫ বৈশাখ, ইংরেজি ৮ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করা এই মহামানব। বাঙালির জীবনের বিচিত্র অনুভূতির ভাষা তিনি বহু আগেই লিখে রেখে গেছেন। আনন্দে-বেদনায়, প্রেমে-বিরহে কিংবা প্রতিবাদে—কোথায় নেই রবীন্দ্রনাথ? দেড় শতাব্দীর বেশি সময় পার হলেও আজও তিনি বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও চেতনার গভীরে অমলিন। তাঁর গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, তাঁর কবিতা আমাদের আবেগের আশ্রয়। তাঁর গল্প-উপন্যাস ও দর্শন আমাদের দেখায় নতুন পথের দিশা।বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন ৮ বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি।সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুতোষ সাহিত্য, চিত্রকলায় তাঁর সৃষ্টিশীলতার অসামান্য দীপ্তি ছড়িয়ে আছে। মানবতা, দেশপ্রেম, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সৃষ্টিকর্ম যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

এসকাগজ/আরডি